আত্মবিশ্বাসই সফলতার সহায়ক

আপডেট : ২৭ আগস্ট ২০১৩, ১৯:২২
যুগের সাথে তাল মিলিয়ে হাটি হাটি পা পা করে সৃজনশীল আজ সমৃদ্ধির পথে। কারণ সৃজনশীল পদ্ধতিতে নিজের মতামতকে নিজের মত করে উপস্থাপনের একটি সুযোগ থাকে। কিন্তু তার জন্য প্রয়োজন ধারাবাহিকভাবে নিয়মিত লেখাপড়া করা, নিয়মিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উপস্থিত থাকা,শিক্ষকদের সুচিন্তিত মতামতের প্রতি গুরুত্ব দেওয়া। কিন্তু তার জন্য দৈনিক ১০/১৫ ঘণ্টা লেখাপড়া করতে হবে এমন কিন্তু নয়। নিয়মিত ক্লাসে উপস্থিত থেকে প্রতিদিনের ক্লাসের পড়া প্রতিদিন শেষ করে ফেলা। সৃজনশীল পদ্ধতিতে যেহেতু উদ্দীপক জ্ঞানমূলক প্রশ্ন দিয়ে শুরু হয় তাই শ্রেণিকক্ষে প্রতিটি অধ্যায় পাঠদান শেষে গুরুত্বপূর্ণ জ্ঞানমূলক প্রশ্নসমূহ বের করে ফেলা এবং এর আলোকে নিজেরা নিজেদের মত করে উদ্দীপক তৈরী করে এর থেকে উত্তর বের করার চেষ্টা করা। তবে এতে প্রথম প্রথম ২/১ টি অধ্যায় একটু সময় বেশি লাগলেও পরবর্তীতে খুব কম সময়ে উদ্দীপক তৈরী বা উত্তর বের করা সহজ হয়ে যায়। তার প্রমাণ আমি নিজেই। আমার প্রিয় শিক্ষক মণ্ডলীর সুচিন্তিত মতামত অনুকরণ করে এসএসসি তে আমার জিপিএ ৫ না থাকা সত্ত্বেও এইচ এস সি তে খুব সহজেই আমার জিপিএ -৫ পাওয়ার পথ সুগম হয়েছে। তবে এর জন্য প্রয়োজন আত্মবিশ্বাস যা সফলতার একমাত্র সহায়ক। তাই ছাত্রছাত্রীদের প্রতি আমার পরামর্শ পূর্বে কি ফলাফল করেছ সেটা না ভেবে বর্তমানে যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থী হিসাবে রয়েছে সেখানে শিক্ষকদের সুচিন্তিত পরামর্শ অনুসরণ করে বর্তমান সুজনশীল পদ্ধতিতে এসএসসিতে একজন বি গ্রেড পাওয়া শিক্ষার্থীও জিপি এ-৫ পেতে পারে। তবে নিজের মনের ভিতর আস্তা বা বিশ্বাস তৈরি করতে হবে। আর এই বিশ্বাস বা দৃঢ় মনোবল নিজেকে সফলতার পথে নিয়ে যাবে। আর এই বিশ্বাস তৈরী করাতে শিক্ষকদের ভূমিকা অগ্রগণ্য। যা আমি আমার কলেজের সকল শিক্ষক শিক্ষিকাদের কাছ থেকে পেয়েছি। আমার এই মনোভাবের সাথে কলেজের জিপিএ -৫ পাওয়া অনেকেই প্রায় একই অভিমত প্রকাশ করেছেন। তাই ছাত্রছাত্রীদের আত্মবিশ্বাস তৈরী করে দেয়ার জন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এবং শিক্ষকের ভূমিকা মুখ্য। যা ছাত্র-ছাত্রীদের সৃজনশীল প্রতিভাকে বিকশিত করতে একমাত্র সহায়ক শক্তি। শিক্ষা পদ্ধতিতেই আমাদেরকে জ্ঞানস্তর আয়ত্ত করে সেটি অনুধাবনের মাধ্যমে প্রয়োগ ঘটাতে হয় চূড়ান্ত মূল্যায়ন পর্যায়ে।