রাজস্থলী উপজেলায় কতিপয় প্রভাবশালী ব্যবসায়ীর নেতৃত্বে প্রতি সপ্তায় ওপেনভাবে সেগুন রদ্দা পাচার চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। রাঙ্গুনিয়া উপজেলায় ব্যবসায়ীরা কালো টাকার বিনিময়ে বন বিভাগ, স্থানীয় প্রশাসন ও পার্বত্য রাজস্থলী এলাকায় রাজনৈতিক নেতা/কর্মীকে অর্থের বিনিময়ে ম্যানেজ করে দিনে রাতে অবৈধ সেগুন কাঠ পাচারের জমজমাট উত্সবে মেতে উঠেছে। আর সরকার রাজস্ব হারাচ্ছে কোটি টাকা। কাপ্তাই পাল্পউড বাগান বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, বিলাইছড়ি উপজেলা বৃটিশ আমলে রোপিত রাংখ্যং খালের উপরে রিজার্ভ ফরেস্ট বাগান রয়েছে। এইসব বাগানে বৃটিশ সরকার রোপিত সেগুন কাঠগুলো পাচারের জন্য রাঙ্গুনিয়া ধনকুব ব্যক্তিদের নেতৃত্বে প্রতিদিন অবাধে চলছে সেগুন কাঠ পাচার।
তথ্যানুসন্ধানে জানা গেছে, রাজস্থলী উপজেলা বিভিন্ন গোপন পথকে সেগুন কাঠ পাচারের ট্রানজিট রোড হিসেবে ব্যবহার করছে। নামপ্রকাশ না করা শর্তে তঞ্চগ্যা সম্প্রদায়ের একজন ধোলাই জানান, বিলাইছড়ি বন কর্মকর্তাসহ সেখানকার রক্ষণাবেক্ষণ ব্যক্তিদের মাইনেন্স করে কাঁধে নিয়ে আসে বলি পাড়ায়। সেখান সরাসরি রাজস্থলী বনবিভাগ ডাকবাংলোর পার্শ্বে নদী হয়ে কাকড়াছড়ি পাড়া ও ছাইখ্যাং মুখ পাড়ায় স্টক হয়। সেখান থেকে কোদালা নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়।
রাজস্থলী উপজেলায় বিভিন্ন রেঞ্জ কর্মকর্তা ও বিট কর্মকর্তাদের সাথে আলাপকালে জানান, এ পাচারের সাথে রাজস্থলী উপজেলায় কর্মরত বন বিভাগ কর্মকর্তা, কর্মচারীরা জড়িত নেই। কতিপয় অর্থলোভী সংঘবদ্ধ চক্র সরকার রোপিত রিজার্ভ ফরেস্ট বাগান ধ্বংসের মূলহোতা।
