বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, জাতিসংঘের চেষ্টা ব্যর্থ হলে বাংলাদেশে রাজনৈতিক সংকট আরও তীব্র হবে, পরিস্থিতি দ্রুত অস্থিতিশীল হয়ে উঠবে। এ কারণে নির্বাচনের আগেই বিএনপি সঙ্কটের সমাধান চায়। সমাধানে প্রয়োজন সংলাপ। সংখ্যাগরিষ্ঠ দল হিসেবে সরকারকেই এই সংলাপের উদ্যোগ নিতে হবে। সরকার উদ্যোগ নিলে বিএনপি যে কোনদিন যে কোনো স্থানে সংলাপে বসতে প্রস্তুত। তবে সংলাপে নির্বাচনকালীন নির্দলীয় সরকারের রূপরেখা নিয়েই আলোচনা হতে হবে।
গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি দলের এই অবস্থানের কথা জানান। মির্জা ফখরুল বলেন, প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধী দলীয় নেতার সঙ্গে জাতিসংঘের মহাসচিব টেলিফোনে কথা বলার পর আমরা বলেছি, সঙ্কট উত্তরণে সংলাপ কিংবা আলোচনায় আমরা প্রস্তুত। কারণ আমরা সবসময় সমঝোতার পক্ষে। যেহেতু সরকারই সঙ্কট সৃষ্টি করেছে সে কারণে সরকারকেই এখন সঙ্কট সমাধানে সংলাপের উদ্যোগ নিতে হবে। তবে সংলাপ করতে হলে কোনো বায়বীয় প্রস্তাবের সুযোগ নেই।
তিনি বলেন, নির্বাচনের আগেই সমঝোতা না হলে পরিস্থিতি দ্রুত সংঘাতের দিকে চলে যাবে। এজন্য সরকারকে বলবো-দ্রুত আলোচনার ব্যবস্থা করুন। সরকারের মেয়াদ কতটুকু, নির্বাচন সেই মেয়াদের আগে না পরের ৯০ দিনের মধ্যে, সংসদের মেয়াদ কতদিন, নির্দলীয় সরকারের রূপরেখা কী হবে- সংলাপে এসব বিষয়েও আলোচনা হতে হবে।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, দেশের ৯০ ভাগ মানুষ নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন চায়। পাঁচটি সিটি করপোরেশন নির্বাচনে জনগণ এই আন্দোলনের পক্ষে রায় দিয়েছে। এরপরেও সরকারের যদি বোধোদয় না হয়, তা হলে আন্দোলন চূড়ান্ত রূপ ধারণ করবে। বিএনপির মুখপাত্র বলেন, বিএনপি শান্তি চায়, সঙ্কট সৃষ্টি করতে চায় না।
