রাবিতে সমাবেশে বক্তারা

শিবিরকে প্রতিরোধ করার আহ্বান

আপডেট : ২৭ আগস্ট ২০১৩, ২২:৪৮
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এসএম তৌহিদ আল হোসেন তুহিনের উপর হামলার প্রতিবাদে ক্যাম্পাসে আয়োজিত সমাবেশে ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের নেতারা বলেছেন, যেখানেই ছাত্রশিবির থাকবে সেখানেই প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে। আঘাত করলে পাল্টা আঘাত করা হবে। তাদেরকে কোনো ছাড় দেয়া হবে না। স্বাধীনতা-বিরোধী এই অপশক্তির মোকাবিলায় সকলকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদুল্লাহ কলাভবন চত্বরে রাজশাহী ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের উদ্যোগে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে সকালে রাজশাহী মহানগর, জেলা ও রাজশাহী অঞ্চলের বিভিন্ন জেলা থেকে ছাত্রলীগসহ বন্ধু সংগঠনের নেতাকর্মীরা খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে সমাবেশস্থলে জড়ো হন। সমাবেশে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি এইচএম বদিউজ্জামান ছাত্রশিবিরকে আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসী সংগঠন আখ্যায়িত করে তাদের কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ এবং আন্তর্জাতিক সন্ত্রাস দমন আইনে শিবির নেতাদের গ্রেফতারের দাবি জানান। খালেদা জিয়া, ড. ইউনূস ও জামায়াত-শিবির অলিখিত ঐক্য করেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, তাদের ব্যাপারে সজাগ থাকতে হবে। তুহিনের উপর হামলার প্রতিবাদে আগামী দুই সেপ্টেম্বর সারাদেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মানববন্ধন কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দেন তিনি। সমাবেশে মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং রাজশাহীর সাবেক মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন বলেন, প্রগতিশীল সংগঠনের নেতাকর্মীদের মনোবল ভেঙ্গে দিতেই সাহসী নেতাদের টার্গেট করে পঙ্গু করে দিচ্ছে শিবির। সমাবেশে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা ফজলে হোসেন বাদশা এমপি, বাংলাদেশ ছাত্রমৈত্রীর কেন্দ্রীয় সভাপতি বাপ্পা দিত্য বসু, জাসদ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি শামসুল ইসলাম সুমন, বাংলাদেশ জাতীয় ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্র্রীয় সভাপতি মঞ্জুর রহমান মিঠু, ছাত্রমৈত্রীর সাধারণ সম্পাদক তানভীর রুশতম, রাজশাহী মহানগর জাসদের সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ মাসুদ শিবলী প্রমুখ।