সাতক্ষীরায় সন্ত্রাসীদের হাতে আওয়ামী লীগ নেতা খুন

আপডেট : ২৭ আগস্ট ২০১৩, ২২:৫৩
সাতক্ষীরার শিবপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রবিউল ইসলামকে কুপিয়ে হত্যা করেছে সন্ত্রাসীরা। হত্যার সাথে জড়িত সন্দেহে সোমবার রাত থেকে মঙ্গলবার পর্যন্ত ৪২ জনকে আটক করেছে পুলিশ। স্বজনদের কান্নায় রবিউলের বাড়িতে এক বেদনাময় পরিবেশের সৃষ্টি হয়। জানা যায়, সোমবার রাত সাড়ে দশটায় পরানদহা বাজার থেকে মোটরসাইকেলে বাড়ি ফেরার পথে তেঁতুলতলা এলাকায় সন্ত্রাসীরা তার পথ রোধ করে উপর্যুপরি কুপিয়ে হত্যা করে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় আটক ৪২ জনের মধ্যে লস্করপাড়ার আজাদুল ইসলাম মিঠু, সদর উপজেলার পায়রাডাঙ্গার রাশেদুল ইসলাম, তেঁতুলতলার রুমিয়ারা খাতুন কাকুলী ও দেলুর নাম জানা গেছে। সাতক্ষীরা পুলিশ সুপার মোল্যা জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, গ্রাম্য একটি সালিশকে কেন্দ্র করে সোমবার দুপুরে স্থানীয় কিছু লোকের সাথে তার হাতাহাতি হয়। এ ঘটনায় কিংবা রাজনৈতিক কারণে তাকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। সদর থানার ওসি শাহজান খান জানিয়েছেন, গ্রেফতারকৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. নজরুল ইসলাম জানান, রাজনৈতিক আক্রোশে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটতে পারে। রামগঞ্জে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা খুন লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি জানান, জেলার রামগঞ্জ উপজেলায় ডাকাতির টাকা ভাগ করা নিয়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে বাহার হোসেন (৩২) নামের স্বেচ্ছাসেবক দলের এক নেতা খুন হয়েছে। চিকিত্সার জন্য ঢাকায় নেয়ার পথে সোমবার রাতে তার মৃত্যু হয়। রামগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, সোমবার রাতে ডাকাতির টাকা ভাগবাটোয়ারাকে কেন্দ্র করে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে ডাকাতদের একটি গ্রুপ তার পায়ে গুলি করে ফেলে রেখে যায়। খবর পেয়ে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে চিকিত্সার জন্য রামগঞ্জ থেকে ঢাকায় নেয়ার পথে রাত ১টায় মৃত্যু হয়। তবে ডাকাত দলের কারো নাম-পরিচয় জানা যায়নি। বাহার পূর্ব করপাড়া গ্রামের মিয়াবাড়ির আবু তাহেরের ছেলে। ঈশ্বরদীতে আন্তঃকোন্দলে যুবদল কর্মী খুন ঈশ্বরদী (পাবনা) সংবাদদাতা জানান, ঈশ্বরদীতে বিএনপির আন্তঃকোন্দলে প্রতিপক্ষের হামলায় আব্দুল বারি (৩৫) নামের এক যুবদল কর্মী খুন হয়েছে। এ সময় অপর এক পথচারী গুলিবিদ্ধ হন। এলাকাবাসী জানায়, উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও ইউপি মেম্বার হাসিবুর রহমান হাক্কে মণ্ডল ও ইসলাম খাঁ গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিন যাবত্ কোন্দল চলছিল। কোন্দল ও গোলযোগের কারণে একাধিক মামলাও রয়েছে। এরই জের ধরে সোমবার রাতে আড়মবাড়িয়া বাজারে হামজা মণ্ডলের মার্কেটে হাক্কে মণ্ডলের ছেলে কনকের (২৮) নেতৃত্বে মাসুদ মণ্ডল ও তারেকসহ ৮/১০ জন আব্দুল বারিকে গুলি করে ও কুপিয়ে হত্যা করে। এ সময় সন্ত্রাসীরা অপর যুবদল কর্মী টেংরা সরদারকে গুলি করলে তিনি সরে গেলে সেই গুলিতে ফজলু প্রামাণিক নামে এক পথচারী গুলিবিদ্ধ হন। আহত ফজলুকে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ওসি বিমান দাস জানান, পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাবনায় পাঠিয়েছে। বারি একই এলাকার ওমর আলীর ছেলে।