জেএসসির ইংরেজি সিলেবাস জানুয়ারিতে এক ধরনের দেয়া হলো এবং শিক্ষার্থীরা বই কিনলো। মার্চ মাসে আবার পরিবর্তন করা হলো। তারপর জুলাই মাসে বলা হলো ইংরেজি পাঠ্যবই থেকে কিছুই পরীক্ষায় আসবে না। অর্থাত্ এবার শিক্ষার্থীদের ১০০% গাইড বই নির্ভরশীল করা হলো। নামি-দামি প্রকাশকরা দ্রুত বাজারে বই নিয়ে এলেন এবং ভূমিকায় লিখলেন একটি দৈনিকে প্রকাশিত ৭, ৮, ৯ ও ১০ জুলাই তারিখের নমুনা প্রশ্নমতো ২০১৩ সালের জেএসসি প্রশ্ন প্রণীত হবে। পত্রিকাটি কী শিক্ষা মন্ত্রণালয় বা এনসিটিবির মুখপত্র? শিক্ষা মন্ত্রণালয় বা এনসিটিবি বা শিক্ষাবোর্ড সরাসরি বিজ্ঞপ্তি আকারে ইংরেজির নমুনা প্রশ্ন প্রকাশ করতে পারতো পত্রিকা বা ইন্টারনেটে। তাদের কিসের সীমাবদ্ধতা? অবশেষে আগস্টের শেষ সপ্তাহে আবার সিলেবাস পরিবর্তন করা হলো। এই পরিবর্তিত সিলেবাসের আলোকে গাইড বই বা অনুশীলনী বই বাজারে আসতে আসতে সেপ্টেম্বর মাস শেষ হয়ে যাবে। নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে জেএসসি পরীক্ষা শুরু হবে। এক মাসে শিক্ষার্থীরা কী শিখবে? কিভাবে তারা জেএসসি পরীক্ষার প্রস্তুতি নেবে? কেনইবা আট মাসে চারবার সিলেবাস পরিবর্তন করা হলো এবং চারবার অনুশীলনী (গাইড) বই শিক্ষার্থীদের কিনতে হলো? ১৬ লাখ কোমলমতি শিক্ষার্থীর জীবন নিয়ে কেন এই ছিনিমিনি খেলা?
মো. শরিফুল ইসলাম,
সহকারী শিক্ষক, মর্গ্যান বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, নারায়ণগঞ্জ, ঢাকা
