সৌন্দর্যের লীলাভূমি লামার মিরিঞ্জা টাইটানিক পাহাড়

আপডেট : ২৯ আগস্ট ২০১৩, ২১:১৯
পাহাড়ি ঝর্না, আঁকা-বাঁকা গিরি পথ, নানা প্রজাতির পশু-পাখি ও প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্য টাইটানিকের অনুরূপ লামার মিরিঞ্জা টাইটানিক পাহাড়। সমুদ্র পৃষ্ঠ হতে প্রায় দেড় হাজার ফুট উচ্চতায় লামার মিরিঞ্জা টাইটানিক পাহাড় দেখে মনে হয় হাজারো পাহাড়ের মাঝে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে। প্রকৃতি অপরূপ সাজে সাজিয়ে তুলেছে এ পাহাড়কে। পাহাড়ি ঝর্না, সবুজের বুক চিড়ে আঁকা-বাঁকা গিরি পথ, প্রকৃতির চাদরে ঢাকা ছোট বড় অসংখ্য পাহাড়, ফলের বাগান, মায়ানমারের মৌন পাহাড়, বঙ্গোপসাগরের উত্তাল ঢেউ, মহেশখালী-কুতুবদিয়া চ্যানেল, সকালের সূর্যদয়, সূর্যাস্তসহ প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্য। ঘন কুয়াশার মেঘ স্পর্শ করা যায়। বিচিত্র প্রজাতির পশু-পাখি, মাতামুহুরী নদীতে নৌকা ভ্রমণ, পাহাড়ি নারীদের হাতে তাঁতে বুনা পোশাক ও রাবারসহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক বনজ সম্পদ। টাইটানিক পাহাড়ের পাশেই রয়েছে উপজাতি ম্রো জনগোষ্ঠীর বাস। এখানকার অপূর্ব নৈসর্গিক দৃশ্য যেমন বিমুগ্ধ করবে, তেমনি আকৃষ্ট করবে বসবাসকারী উপজাতির জীববৈচিত্র্য। রয়েছে লামা মহামুনী বৌদ্ধ বিহার। এ বৌদ্ধ বিহারের বয়স প্রায় ২৫০ বছর। এ বৌদ্ধ বিহারের পাহাড়ের পাদদেশে পুকুরে ভাসমান গৌতম বুদ্ধের প্রতিচ্ছবি বৌদ্ধ মূর্তি। পর্যটকগণ মিরিঞ্জার প্রাকৃতিক দৃশ্য, বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্ক, কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত একই সাথে উপভোগ করতে পারবেন। ২২ একর জায়গা নিয়ে গঠিত মিরিঞ্জা উন্নয়ন কাজ বর্তমানে থমকে আছে। পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দেয়া ৫ কোটি টাকা মিরিঞ্জার উন্নয়নে ব্যয় করতে না পারায় ফেরত গেছে। দেশের যে কোন প্রান্ত থেকে যে কোন যানবাহনে সড়ক পথে মিরিঞ্জায় আসা যায়। চট্টগ্রাম থেকে চকরিয়া। চকরিয়া থেকে লামা। লামা সদর থেকে ৫ কিলোমিটার দূরে এ পর্যটন কেন্দ্রের অবস্থান।