নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দীর্ঘ ৬ বছর ধরে সরকারি অ্যাম্বুলেন্স ও এক্সরে মেশিন বিকল অবস্থায় পড়ে রয়েছে। আর এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে অনুমোদনহীন অনুপযোগী অর্ধডজন অ্যাম্বুলেন্স রমরমা বাণিজ্য করছে। এতে প্রতিনিয়ত প্রতারিত হচ্ছে গ্রাম থেকে চিকিত্সা সেবা নিতে আসা সহজ-সরল মানুষগুলো। সংশ্লি¬ষ্ট কর্তৃপক্ষের সহযোগিতায় কথিত অ্যাম্বুলেন্স মালিকগণ এ অবৈধ বাণিজ্যে মেতে উঠেছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, জেলার জলঢাকা উপজেলা পার্শ্ববর্তী ডোমার, ডিমলা, কিশোরগঞ্জ, ডালিয়া এলাকার কেন্দ্রস্থল ও যোগাযোগ ব্যবস্থা ভাল হওয়ার কারণে রোগীর সংখ্যা সব সময়ই বেশি। অভিযোগ রয়েছে কর্মরত ডাক্তাররা এসব রোগীকে নামমাত্র চিকিত্সা দিয়ে রংপুরে পাঠিয়ে দিয়ে ওইসব অ্যাম্বুলেন্স মালিকদের কাছ থেকে বখরা নিচ্ছেন। আর রিংকি, পিংকি, নাহার নামীয় কতগুলো স্বল্পমূল্যের মাইক্রোবাস যেগুলো রাস্তায় চলাচলের অযোগ্য সেগুলোকে অ্যাম্বুলেন্স হিসেবে ব্যবহার করে উপজেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা সহজ-সরল মানুষদের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে মাইক্রোবাস মালিক চক্রটি। অন্যদিকে সমপ্রতি অবসরে যাওয়া অ্যাম্বুলেন্স ড্রাইভার নূর হক জানান, কিছু টাকা খরচ করলেই হাসপাতালের অ্যাম্বুলেন্সটি চালু করা সম্ভব।
২০১২ইং সালের ১৫ এপ্রিল একটি এক্সরে মেশিন কমপ্লে¬ক্সের ভাগ্যে জুটলেও ভোল্টেজ স্ট্যাবিলাইজারের কারণে তা অকেজো হয়ে পরে আছে দীর্ঘদিন ধরে। রোগীদের খাদ্যের মান বাড়াতে সরকার বরাদ্দ বাড়িয়ে ৭৫ টাকা হতে ১২৫ টাকা করলেও তা রোগীদের ভাগ্যে জোটে না। ২ বছর আগে ৩১ শয্যা হাসপাতালটি ৫০ শয্যায় উন্নীত হলেও ডাক্তার-কর্মচারী স্বল্প¬তার কারণে আজও বর্ধিত ভবনে রোগীদের ঠাই মেলেনি। আর ৩১ শয্যার হাসপাতালকে ৫০ শয্যা দেখিয়ে প্রতি মাসে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন দীর্ঘ ২০ বছর ধরে খাদ্য সরবরাহকারী ঠিকাদার। এ ব্যাপারে খাদ্য সরবরাহকারী ঠিকাদার বলেন, প্রতিদিন আমার কাছ থেকে খাদ্যসামগ্রী ওজন করে নেন মেডিকেলের দু’জন কর্মকর্তা।
