ঐশী প্রাপ্তবয়স্ক

কারাগারে পাঠাতে আদালতের নির্দেশ

আপডেট : ২৯ আগস্ট ২০১৩, ২৩:১৩
পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) পরিদর্শক মাহফুজুর রহমান ও তার স্ত্রী স্বপ্না রহমানের ঘাতক কন্যা ঐশী রহমান প্রাপ্তবয়স্ক মর্মে প্রতিবেদন পাওয়ায় কিশোরী উন্নয়ন সংস্থা থেকে ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয়া হয়েছে। ঐশী ও সুমীর প্রকৃত বয়স কতো তা জানার জন্য গত ২২ আগস্ট রেডিওলজি ও ইমেজিং বিভাগে পাঁচটি পরীক্ষা করা হয়। দুইজনের মোট ১০টি এক্স-রে করানো হয়। হাঁটুর হাড়, দাঁত ও মেরুদণ্ডসহ শরীরের বিভিন্ন অংশের এক্স-রে করানো হয়। ডাক্তারি পরীক্ষা শেষে তথ্য হাতে পেয়ে সমাজসেবা অধিদপ্তরের প্রবেশন কর্মকর্তা সিদ্দিকুর রহমান ঐশী প্রাপ্তবয়স্ক মর্মে গতকাল বৃহস্পতিবার আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন। ওই আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আনোয়ার ছাদাত এ আদেশ দেন। প্রকৃত বয়স নিয়ে জটিলতা সৃষ্টির কারণে গত ২৪ আগস্ট ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়ার পর ঐশী ও গৃহপরিচারিকা সুমীকে গাজীপুরের কিশোরী উন্নয়ন সংস্থায় পাঠানো হয়েছিল। সেখানে ঐশী সেলাই কাজ শিখছিল। প্রসঙ্গত গত ১৬ আগস্ট রাজধানীর চামেলীবাগের ভাড়া বাসা থেকে পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) পরিদর্শক মাহফুজুর রহমান ও তার স্ত্রী স্বপ্না রহমানের ক্ষত-বিক্ষত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। মাহফুজ-স্বপ্না দম্পতির দুই সন্তানের মধ্যে ঐশী রহমান ধানমণ্ডির অক্সফোর্ড ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের ও-লেভেলের শিক্ষার্থী। তার ছোট ভাই ঐহী রহমান (৭) রাজারবাগ পুলিশ লাইন্স স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্র।