ভাঙ্গা ঘরে চাঁদের আলো

আপডেট : ৩০ আগস্ট ২০১৩, ২২:৩৫
চাঁপাইনবাবগঞ্জে ভূমিহীন পরিবারের ছেলে ফারুক হোসেন পেয়েছে জিপিএ-৫। ভবিষ্যতে বড় হওয়ার স্বপ্ন দেখেন ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জের মেধাবী ছাত্র মুক্তাদির। মেলান্দহে হতদরিদ্র পরিবারের মেয়ে চম্পা ভবিষ্যতে ব্যারিস্টার হতে চান। এসব মেধাবী মুখের খবর তুলে ধরেছেন আমাদের প্রতিনিধি ও সংবাদদাতারা। চাঁপাইনবাবগঞ্জ এবার এইচএসসি পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগে রাধাকান্তপুর ডিগ্রী কলেজ থেকে জিপিএ গোল্ডেন-৫ পেয়েছে ফারুক হোসেন। নদী ভাঙ্গনে জমিজমা-ভিটেমাটিহারা ফারুক হোসেনের পিতা মহবুল হক বর্তমানে পরিবার-পরিজন নিয়ে থাকেন শিবগঞ্জ উপজেলার কমলাকান্তপুর গ্রামে। ভূমিহীন ও হতদরিদ্র পিতা-মাতার ঐকান্তিক প্রচেষ্টা এবং কলেজের শিক্ষকদের সহযোগিতায় সে ভাল ফলাফল করেছে। ফারুকের ইচ্ছা প্রকৌশলী হবার। কিন্তু দরিদ্র পিতা-মাতার পক্ষে কি এই ভার বহন করা সম্ভব। পীরগঞ্জ(ঠাকুরগাঁও) দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের অধীন ঠাকুরগাঁও সরকারি কলেজ থেকে এবারের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগে মো. মুক্তাদির (লাবীব) পেয়েছে জিপিএ-৫। সে দৈনিক ইত্তেফাকের পীরগঞ্জ সংবাদদাতা মো. মেহের এলাহী ও সেলিনা বেগমের কনিষ্ঠ পুত্র। মেলান্দহ (জামালপুর) ঢাকা বিভাগের কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে মেধা তালিকায় ৪র্থ স্থান অধিকার করেছে হতদরিদ্র পরিবারের মেয়ে চম্পা। চম্পা মেলান্দহ উপজেলার একমাত্র মহিলা কারিগরি কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় (হিসাব বিজ্ঞান) অংশগ্রহণ করে এ কৃতিত্ব অর্জন করে। উপজেলার শাহাজাদপুর গ্রামের হতদরিদ্র পিতা জিয়াউল হক ও মাতা মোর্শেদা বেগমের ৩ মেয়ের মধ্যে চম্পা সবার বড়। সে দৈনিক ৪-৫ ঘন্টা পড়াশোনা করতো। তার ইচ্ছা ব্যারিস্টার হওয়া।