প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্যে অনেক প্রশ্নের জবাব মেলেনি। ‘সংবিধান থেকে এক চুলও নড়বো না’- আগামী নির্বাচনকালীন সরকার ব্যবস্থা সম্পর্কে সম্প্রতি গণভবনে সাংবাদিক সম্মেলনে দেয়া প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্যের পর রাজনীতিতে নতুন-নতুন মাত্রা যুক্ত হলেও গতকালের বক্তব্যে সেগুলোর উত্তর আসেনি। বিশেষ করে, জাতিসংঘের মহাসচিব বান কি মুনের টেলিফোন, নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে মতবিনিময়ে সবার অংশগ্রহণে গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের ওপর কূটনীতিক ও দাতা সংস্থাগুলোর গুরুত্বারোপ, ‘তত্ত্বাবধায়ক ছাড়া শান্তি আসবে না’- এই মন্তব্যসহ নোবেল জয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের গত কয়েকদিনে দেয়া বিভিন্ন বক্তব্য ও সমসাময়িক আলোচিত বিষয় সম্পর্কে কিছুই বলেননি প্রধানমন্ত্রী।
আগামী নির্বাচন কখন কোন ব্যবস্থার সরকারের অধীনে হবে, নির্বাচন সঠিক সময়ে হবে কি না, নির্বাচনে সব দলের অংশগ্রহণের ব্যবস্থা হচ্ছে কি না- এসব নিয়ে সারাদেশেই জনমনে এক ধরনের উদ্বেগ, উত্কণ্ঠা রয়েছে। এমনকি আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন দল বা জোট থেকে যারা প্রতিদ্বন্দ্বিতার প্রস্তুতি নিচ্ছেন তারাও অনিশ্চয়তায় ভুগছেন। সরকারের মেয়াদ শেষ হওয়ার দুই-তিন মাস আগে গতকাল ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত জনসভায় সঙ্গত কারণেই দেশবাসী প্রত্যাশা করেছিলেন-প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে হয়তো এসব প্রশ্নের জবাব মিলবে। আওয়ামী লীগ থেকেও আগে থেকে বলা হয়েছিল, প্রধানমন্ত্রী গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখবেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত অতৃপ্তই থাকতে হয়েছে সবাইকে।
