চাঞ্চল্যকর পুলিশ দম্পতি খুনের ঘটনায় আটক ঐশী রহমান এখনো গাজীপুরের কিশোরী উন্নয়ন কেন্দ্রেই আছেন। আদালতের আদেশের কপি না পাওয়ায় নিহত দম্পতির এই মেয়েকে কারাগারে পাঠানো যায়নি। তবে যে কোনো মুহূর্তে তাকে কাশিমপুর মহিলা কারাগারে স্থানান্তর করা হতে পারে বলে জানিয়েছেন গাজীপুর জেলা সমাজসেবা অধিদফতরের উপ-পরিচালক লুত্ফুন্নাহার। শুক্রবার সকালে গাজীপুর সমাজসেবা অধিদফতরের উপ-পরিচালক লুত্ফুন্নাহার ইত্তেফাককে জানান, আদালতের আদেশ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ঐশীকে কারাগারে স্থানান্তর করা হবে।
গত বৃহস্পতিবার আদালতের এক আদেশে বলা হয়, ঐশী প্রাপ্ত বয়স্ক। একই সঙ্গে তাকে কিশোরী উন্নয়ন কেন্দ্র থেকে কারাগারে পাঠানোরও আদেশ দেয়া হয়। প্রসঙ্গত, ১৪ আগস্ট রাতে রাজধানী ঢাকার চামেলীবাগে ভাড়া বাসায় পুলিশের বিশেষ শাখার পরিদর্শক মাহফুজুর রহমান ও তার স্ত্রী স্বপ্না রহমান নৃশংসভাবে খুন হন। ১৬ আগস্ট সন্ধ্যায় তাদের ক্ষতবিক্ষত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ১৭ আগস্ট খুন হওয়া দম্পতির এক মাত্র মেয়ে ঐশী পল্টন থানায় আত্মসমর্পণ করে। পুলিশ আদালতের নির্দেশে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে। গত শনিবার ঐশী বাবা-মা হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী এবং নিজের অংশগ্রহণে হত্যাকাণ্ড সংঘটিত করার কথা স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। এরপর ঐশী রহমান ও গৃহকর্মী সুমিকে ২৪ আগস্ট রাত নয়টায় আদালতের নির্দেশে গাজীপুরের কোনাবাড়ি কিশোরী উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানো হয়।
