কটিয়াদীতে পেঁপে চাষীর মাথায় হাত

আপডেট : ৩১ আগস্ট ২০১৩, ২২:৪২
কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার কিছুসংখ্যক কৃষক কিশোগঞ্জের সীমান্ত নার্সারি থেকে পেঁপের চারা ক্রয় করে হতাশায় ভুগছেন। খোলা বাজার থেকে চারা না ক্রয় করে বেশি লাভের আশায় অধিক মূল্যে সীমান্ত নার্সারি থেকে পেঁপের চারা ক্রয় করে জমিতে রোপণ করে এখন দিশেহারা। জানা যায়, গত চৈত্র মাসে উপজেলার কামারকোনা গ্রামের কৃষক শামীম, হাজী আ: ছালাম, মো: সাইফুল ইসলাম, মো: নুরুল ইসলাম, মো: বাবু মিয়া, মো: আবুল কাসেম কিশোরগঞ্জের সীমান্ত নার্সারি থেকে প্রতিটি পেঁপের চারা ২০ টাকা দরে ২৩শ’ চারা ৪৬ হাজার টাকা দিয়ে ক্রয় করে তাদের জমিতে রোপণ করে। যা খোলা বাজার থেকে ক্রয় করলে মাত্র ৭ থেকে সাড়ে সাত হাজার টাকায় ক্রয় করা যেতো। জেলা নার্সারি মালিক সমিতির সভাপতি ও সীমান্ত নার্সারির মালিক বিক্রির সময় তাদের গ্যারান্টি প্রদান করে বলেন, শতকরা ২-৩টি চারা পুরুষ হতে পারে। বাকি সবগুলোতে পেঁপে ধরবে। তিন চার মাস পরিচর্যার পর দেখা যায় অর্ধেকের চেয়ে বেশি চারা পুরুষ। ফলে আশানুরূপ ফল না পেয়ে নার্সারি মালিকের কাছে বিষয়টি অবহিত করলে তিনি টালবাহানা করেন। এ ব্যাপারে নার্সারি মালিক আ: রাজ্জাকের সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি জানান, পেঁপের চারা ১০-২০% পুরুষ হতে পারে। এর মধ্যে অনেকগুলো উভয় লিঙ্গেরও হয়। যেগুলোতে দেরি হলেও ফল ধরে।