ভোলা-বরিশাল গ্রিড লাইনে আবার ক্যাবল বিপর্যয়

আপডেট : ৩১ আগস্ট ২০১৩, ২২:৪২
মেরামতের ৪ দিন পর আবারও বরিশাল-ভোলা গ্রিড সঞ্চালন লাইনের ক্যাবল বিপর্যয় ঘটছে। ৩৪.৫ মেঘাওয়াট রেন্টাল বিদ্যুত্ কেন্দ্রটি হঠাত্ করে বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সমগ্র ভোলা ১৫ দিন অন্ধকারে ছিল। গত ২৫ আগষ্ট বরিশাল ভোলা গ্রিড সঞ্চলন লাইনটি চালু করার পর বিদ্যুত্ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। ভোলা বিদ্যুত্ বিভাগ জানায়, গত শুক্রবার সকালে ঐ সঞ্চালন লাইনের সঙ্গে সংযুক্ত কালাবাদর নদীর তলদেশে স্থাপিত একটি আন্ডারগ্রাউন্ড ক্যাবল বিকল হয়ে যায়। পটুয়াখালী থেকে সীমিত বিদ্যুত্ দিয়ে কোন রকমে সীমিত বিদ্যুত্ চালু রাখা হলেও ব্যাপক লো ভোল্টেজ ও লোডশেডিং গ্রাহকদের ভোগান্তি বাড়ে। ইলিশ মৌষুমে বরফের অভাবে সকল বরফকল বন্ধ হয়ে যায়। বিদ্যুত্ বিভাগ জানায়, বিকেলের দিগে ফল্ট চিহ্নিত হওয়ায় নদীর তলদেশে ফেলা অতিরিক্ত একটি ক্যাবল দিয়ে ভোলা বরিশাল লাইনটি চালু করা হয়। তবে এই লাইনটি এখনও ঝুঁকির মধ্যে আছে। সাব মেরিন ক্যাবল না আন্ডর গ্রাউন্ড ক্যাবল ! বরিশাল ভোলা সঞ্চালন লাইনের নদীর তলদেশে সাব মেরিন ক্যাবলের বদলে স্থাপন করা হয়েছে আন্ডারগ্রাউন্ড ক্যাবল। বিদ্যুত্ বিশেষজ্ঞরা জানান, নদীর তলদেশে আন্ডারগ্রাউন্ড ক্যাবল উপযোগী নয়। এখানে স্থাপন করার উপযোগী সাব-মেরিন ক্যাবল। আন্ডারগ্রাউন্ড ক্যাবল শুধু মাটির তদদেশে স্থাপন করা হয়। কি কারণে সাব-মেরিন ক্যাবলের বদলে আন্ডারগ্রাউন্ড ক্যাবল স্থাপন করা হলো তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে পটুয়াখালীর সাবেক তত্ত্বাবধায় প্রকৌশলী অনিল চন্দ্র দাস একই অভিমত ব্যক্ত করেন।