আরব বসন্তে কয়েকটি মুসলিম রাষ্ট্রে সরকার পতনের পর মনে হয়েছিল এবার বুঝি সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদের পালা। সরকার পতন ঘটানোর জন্য আসাদবিরোধীরা যেভাবে মরণ কামড় বসিয়েছিল তাতে অনেকেরই ধারণা হয়েছিল যে তার সামনে হাতে গোনা কয়েকটি দিন আছে। কিন্তু আসাদও কম যান না! কোন এক যাদুর আঠার বলে তিনি ক্ষমতা আঁকড়ে ধরে থাকেন মাসের পর মাস। শক্ত হাতে বিদ্রোহীদের দমন করে চলেন। এমন কঠোরভাবে তার এই বিদ্রোহ ঠেকানোর কাজকে ভালো চোখে দেখেনি পশ্চিমা দেশগুলো। তারা সুযোগের অপেক্ষায় ছিল কখন আসাদের বিরুদ্ধে একটা অজুহাত পাওয়া যায়।
সেই অজুহাত এসে হাজির হলো গত ২১ আগস্ট। এদিন দামেস্কে রহস্যজনক রাসায়নিক হামলায় কয়েকশ’ লোকের প্রাণহানি ঘটে। এরপরই যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্র দেশগুলো এই ঘটনার জন্য সিরিয়ার সরকারকে দায়ি করে তোপ দাগতে থাকে। যদিও প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদ রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহারের কথা অস্বীকার করেছেন তবুও যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন ও ফ্রান্স হামলার জন্য প্রস্তুতি নিতে শুরু করে। তবে পার্লামেন্টে প্রস্তাব বাতিল হবার কারণে ব্রিটিশ সরকার এই হামলায় অংশ নিতে পারছে না। কিন্তু ফ্রান্স তার সমর্থন প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযানের প্রতি। এমনকি ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ফ্রাসোয়া ওঁলাদ বলে দিয়েছেন যে বুধবার নাগাদ এই হামলা হতে পারে।
তবে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি। তিনি বলেছেন সিরিয়া সরকারই যে ওই হামলা চালিয়েছিল তার কোনো প্রমাণ নেই। যদি অকাট্য প্রমাণ থাকে তবে তা বিশ্বের সামনে হাজির করতে বলেছেন তিনি। ব্রিটিশ পার্লামেন্ট হামলায় অংশ নেয়ার প্রস্তাব বাতিল করায় তিনি মন্তব্য করেন, ব্রিটেনে কিছু কান্ডজ্ঞান সম্পন্ন লোক এখনো আছে। তিনি বলেছেন, সিরিয়া এমনিতেই চরম বিপদে আছে। এর মধ্যে রাসায়নিক হামলা করে শত্রুদের হাতে হামলা করার মওকা তুলে দিবেন এমন নির্বোধ আসাদ নন। তাই তিনি এই যুদ্ধ থেকে নিজেকে দুরে সরিয়ে রেখেছেন এবং অন্যদেরও দুরে থাকতে অনুরোধ করেছেন।
তবে প্রয়োজনে একাই লড়বে বলে ইঙ্গিত দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এমনকি জাতিসংঘও যদি পাশে না থাকে তবুও একলা চলো নীতিতে এগোবে ওয়াশিংটন। তবে সর্বশেষ খবর হলো কংগ্রেসের অনুমতি নিতে চেষ্টা করছেন ওবামা। হোয়াইট হাউসে দেয়া এক বক্তৃতায় শনিবার ওবামা সিরিয়ার সরকারের বিরুদ্ধে পুনরায় রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহারের অভিযোগ এনে বলেন, এটি মানবিকতার বিরুদ্ধে অপরাধ যা যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার প্রতি হুমকি তৈরি করেছে। তাই আমেরিকা চুপ করে থাকতে পারে না। সিরিয়া সরকার নিজেদের জনগণের বিরুদ্ধেই রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহার করেছে। হোয়াইট হাউসকে তিনি বলেন, আগামীকাল, আগামী সপ্তাহে বা নিকট ভবিষ্যতে এই হামলা হতে পারে। তবে অভিযান হলেও তা হবে সীমিত আকারে তবু তা রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহারের বিরুদ্ধে কার্যকর ভূমিকা রাখবে। তিনি বলেন, দামেস্কে যা ঘটেছে, সেদিকে আমরা চোখ বন্ধ করে রাখতে পারি না। রাসায়নিক হামলায় ১৪২৯ জন নিহত হয়েছে।
ওবামা যখন কংগ্রেসের দারস্থ হয়েছেন তখন এটা অত্যন্ত নিশ্চিত যে এ মাসের নয় তারিখের আগ পর্যন্ত সিরিয়ার সরকার বুক ভরে নিঃশ্বাস নিতে পারছে। কারণ যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের সভা বসবে নয় তারিখে। একক ক্ষমতায় যুদ্ধে না গিয়ে কংগ্রেসের অনুমোদন নেয়ার ওবামার এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন কংগ্রেস সদস্যরা। সিনেটের রিপাবলিকান নেতা মিচ ম্যাককনেল বলেছেন, কমান্ডার ইন চিফ হিসাবে প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব এর মাধ্যমে আরো শক্তিশালী হবে।
ব্রিটিশ পার্লামেন্ট এই যুদ্ধের বিরুদ্ধে ভোট দেয়ায়, আরো কয়েকটি দেশ যোগদান করতে অস্বীকার করায় এবং আন্তর্জাতিক সমালোচনা একটু একটু করে বাড়তে থাকায় ওবামাও ভেতরে ভেতরে একটু চাপ অনুভব করছেন। একারণে তিনি শুক্রবার বিকালেই সিদ্ধান্ত নেন যে ‘পাপ পূণ্য’ যাই হোক না কেন, হামলার সিদ্ধান্তের দায়ভার কংগ্রেসের ঘাড়ে চাপিয়ে দেবেন। এর আগে কংগ্রেসকে জানানোর কোনো পরিকল্পনা তার ছিল না।
অপরদিকে, হামলা চালানোর জন্য ফ্রান্স তো এক পায়ে খাড়া! ফরাসি প্রেসিডেন্ট আবারো ইঙ্গিত দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের সাথেই আছেন তারা। তিনি বলেন, সিরিয়ার জনগণকে রক্ষায় তারা যুক্তরাষ্ট্র যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তা সঠিক। শুধু তাই নয়, ব্রিটেনের অবস্থান পরিবর্তন তাদের সিদ্ধান্তে কোনো প্রভাব ফেলবে না। বুধবার সিরিয়া ইস্যুতে আলোচনা করতে জরুরি বৈঠকে বসবে ফ্রান্সের পার্লামেন্ট। এর আগে বৃহস্পতিবার সিরিয়ার আসাদ সরকারের রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহারের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য হামলার প্রস্তাব নাকচ করে দেন ব্রিটেনের সংসদ সদস্যরা। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন আগ বাড়িয়ে বারাক ওবামাকে সমর্থন দিয়ে বসলেও তিনি বুঝতে পারেননি যে তার দেশের পার্লামেন্ট এই যুদ্ধের মধ্যে নেই। সেদিন রাতে ব্রিটিশ পার্লামেন্ট এ হামলায় নীতিগত সমর্থন দেয়নি। বিরোধী দলের কঠোর বিরোধীতায় সমর্থন পাবার চেষ্টা পন্ড হয়ে যায়। ব্রিটিশ পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষে হামলার পক্ষে ভোট পড়ে ২৭২টি আর বিপক্ষে ২৮৫টি। অথচ অনেক আশা নিয়েই গ্রীষ্মকালীন ছুটির মধ্যে এই অধিবেশন ডেকেছিলেন ক্যামেরন। ভোটাভুটির পর ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, সরকার আইন অনুযায়ী কাজ করবে। অর্থাত্ যুদ্ধে সরাসরি না জড়ানোর পার্লামেন্টের সিদ্ধান্ত মেনে নিবে। এর আগে জার্মানি সিরিয়ার বিরুদ্ধে হামলায় অংশ নিচ্ছে না বলে সাফ জানিয়ে দেয়। কানাডাও বলেছে তারা এই যুদ্ধের সাথে নেই।
তবে ব্রিটেন সরে যাওয়ার পরও সিরিয়ার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে অন্য দেশগুলোর সমর্থন পাবার চেষ্টা অব্যহত রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র। শুক্রবার এমনটাই জানালেন মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী চাক হেগেল। তবে এক্ষেত্রে কারা কারা এই জোটে থাকবে সে বিষয়ে কিছু জানাননি তিনি। ব্রিটেনের সরে যাওয়ার প্রশ্নে তিনি বলেন, ব্রিটিশ পার্লামেন্টের সিদ্ধান্তের প্রতি তাদের শ্রদ্ধা রয়েছে এবং প্রত্যেক দেশেরই উচিত তাদের দায়িত্ববোধ থেকে সিদ্ধান্ত নেয়। অপরদিকে, এই যুদ্ধের দামামা বাজার আগেই সিরিয়ার প্রতিবেশী দেশ ইসরায়েল রাজধানী তেল আবিবে এরই মধ্যে ‘আয়রন ডোম’ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা স্থাপন করেছে। শুক্রবার সকালে এতে ব্যাটারি সংযোগ করা হয়েছে বলে স্থানীয় সামরিক রেডিওতে বলা হয়েছে। ঐ অঞ্চলে সামপ্রতিক উত্তেজনার জন্য নিজ দেশের নিরাপত্তার স্বার্থে তারা মিসাইল প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা স্থাপন করছে বলে মন্তব্য করেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। টেলিভিশনে দেয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, সিরিয়া যুদ্ধের সাথে তাদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। কিন্তু ইসরায়েলের জনগণের কেউ ক্ষতি করার চেষ্টা করলে দেশের সেনাবাহিনী তার জবাব দিতে বাধ্য হবে।
এদিকে, সিরিয়ায় হামলার ক্ষেত্রে রাসায়নিক অস্ত্রের মজুদের বিষয়টি বিশেষজ্ঞদের ভাবনায় ফেলেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্র নিরাপদ স্থান ভেবে যদি অস্ত্র ভাণ্ডারে আঘাত হানে তাতে বড় ধরনের বিপর্যয় দেখা দিতে পারে। অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ সংস্থার নির্বাহী পরিচালক ডেরিল কিম্বল এ ব্যাপারে বলেছেন মার্কিন সেনাবাহিনী জানে না, ঠিক কোথায় কোথায় সিরিয়ার সেনাবাহিনীর অস্ত্র মজুদ আছে। ফলে হামলায় কিছু অস্ত্র যেমন ধ্বংস হতে পারে, তেমনি রাসায়নিক অস্ত্র থাকলে তা গ্যাস আকারে দ্রুত ছড়িয়ে পড়বে এবং সাধারণ মানুষ সহজেই আক্রান্ত হবে। ধারণা করা হচ্ছে, দামেস্ক, হোমস এবং হামার মতো বড় শহরগুলোর আশেপাশে বেশ কিছু অস্ত্রের মজুদ রয়েছে।
এই শহরগুলোতে ২০ লাখেরও বেশি মানুষের বসবাস। অপরদিকে, ফরাসি বিশেষজ্ঞ ত্রাপ বলেছেন, রাসায়নিক অস্ত্র উদ্ধার করে তা ধ্বংস করা খুব একটা সহজ কাজ নয়। বিশেষ করে দিনের বেলা বাতাস এবং তাপমাত্রার প্রভাব, ভবনের গঠন, রাসায়নিক অস্ত্রের ধরণ, এসব কিছুর উপর ভিত্তি করছে এর ভয়াবহতা। দুঘর্টনার ফলে যদি এমন কোনো ঘটনা ঘটে যায়, তার ফলাফল হবে ভয়াবহ। ভালো করতে গিয়ে মন্দের শেষ থাকবে না।
গত ছয় মাস ধরে সিরিয়ার অস্ত্র মজুদের স্থান নির্ণয় করতে ব্যর্থ হয়েছে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা। কেননা বিভিন্ন সময়ে সেনাবাহিনী এবং বিদ্রোহীদের অবস্থান পরিবর্তনের কারণে গোয়েন্দারা তাদের সঠিক অবস্থান নির্ণয়ে হিমশিম খেয়েছে। আরো একটি বিষয়ের আশংকা রয়েছে। আর তা হলো, হামলার পর এসব রাসায়নিক অস্ত্র ইসলামি জঙ্গি ও আসাদের সমর্থকদের হাতে পড়লে তা হিতে বিপরীত হবে।
দামেস্কের উপকণ্ঠে ২১শে আগস্ট যে রাসায়নিক হামলা চালানো হয়েছে, গত সোমবার থেকে তার নমুনা সংগ্রহ করা শুরু করে জাতিসংঘের একটি পরিদর্শক দল। ঘটনাস্থলের মাটি, তাতে লেগে থাকা রক্ত এবং কাপড়-চোপড় থেকে নমুনা সংগ্রহ করে তারা। এরপর এগুলো নিয়ে শনিবার তারা সিরিয়া ত্যাগ করে। নমুনাগুলো এখন বিশেষায়িত ল্যাবে পরীক্ষা করে দেখা হবে রাসায়নিক হামলা চালানো হয়েছিল কি না। কারা চালিয়েছিল। ক্ষয়ক্ষতির পরিমান কত ইত্যাদি। এরপর তারা যে রিপোর্ট দিবেন সেই রিপোর্টের ভিত্তিতে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ সিদ্ধান্ত নেবে বলে জানিয়েছেন মহাসচিব বান কি-মুন। যুক্তরাষ্ট্র যদি সত্যি সত্যি সিরিয়া আক্রমণ করে বসে তখন সিরিয়া কি করবে? পরাশক্তির হামলা বসে বসে হজম করবে? শেষ পরিণতির জন্য অপেক্ষা করবে? নাকি তা প্রতিহত করার চেষ্টা করবে? এমন অগনিত প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে অনেকের মনে। একদল মার্কিন বিশ্লেষক বলেছেন, সিরিয়ার সমরশক্তি একেবারে কম নয়। কিন্তু গত আড়াই বছর ধরে সেখানকার বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে লড়তে হচ্ছে সরকারকে। একারণে যুদ্ধের বড় অস্ত্রগুলোর রক্ষণাবেক্ষণ করা ঠিকমতো হয়নি বা হচ্ছে না এটাই স্বাভাবিক। তাই সেই অস্ত্রগুলোর কোনটি কতটা কার্যকর আছে তার ভাবার বিষয়।
তারপরেও রাশিয়ার সরকারি বার্তা সংস্থা ইন্টারফ্যাক্স বলেছে যে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে জয় পাওয়া অত সহজ হবে না। সিরিয়ার বিইউকে-এমটুই মাল্টিরোল এয়ার মিসাইল এবং অন্যান্য প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আগ্রাসনকারীদের ঘোল খাইয়ে ছাড়বে।
সিরিয়ার ৩৬৫ থেকে ৫৫০ টি যুদ্ধবিমান আছে। ২৫টি এয়ার ডিফেন্স ব্রিগেড আছে। আরো আছে ১২০ থেকে দেড়শটি ভূমি থেকে শুন্যে ছোড়ার মিসাইল ব্যাটারি। এছাড়া স্বল্প পাল্লার ভূমি থেকে শুন্যে ব্যবহার করার করার জন্য আধুনিক মিসাইলও আছে। এছাড়া কাঁধে করে নিক্ষেপযোগ্য হাজার হাজার ম্যানপ্যাড আছে। এছাড়া রাশিয়ায় নির্মিত অত্যাধুনিক এস-৩০০ সিস্টেম কিনেছে সিরিয়া। এটি নিঁখুতভাবে দূরপাল্লায় গিয়ে টার্গেটকে ধ্বংস করতে পারে।
সিরিয়ার অন্যান্য অস্ত্রের চেয়ে এটি বেশি কার্যকরী হবে যুদ্ধ শুরু হলে। এছাড়া সিরিয়ার কয়েকটি আধুনিক কোস্টাল ডিফেন্স সিস্টেমও আছে। কয়েক বছর আগে আসাদ এগুলো রাশিয়া থেকে কিনেছিলেন। এগুলো ভূমধ্যসাগরে অবস্থিত জাহাজকে টার্গেট করে আঘাত হানতে পারে। কেউ আগ্রাসন চালাতে ভূমধ্যসাগরে এলে তাদের নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে রাখতে এই অস্ত্র বেশ কাজে আসতে পারে। এর বাইরে আরো বেশ কিছু আধুনিক যুদ্ধ সরঞ্জাম আছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সিরিয়ার প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা লিবিয়ার চেয়ে অনেক বড়, সুশৃঙ্খল এবং শক্তিশালী। এদের কর্মীরা উচ্চ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত। তাই চাইলেই নিমেষে লিবিয়ার মতো সিরিয়াকে ধরাশায়ী করার স্বপ্ন সফল নাও হতে পারে। অথচ বারাক ওবামা বলেছেন সিরিয়ায় হামলা হবে স্বল্পমেয়াদি। হামলা হলে তা স্বল্প মেয়াদি না কি দীর্ঘমেয়াদি হবে তা সময়ই বলে দিবে।
