অর্থ আর বিদেশে স্বাচ্ছন্দ্যের জীবন কে না চায়। যে কারণে অনেকেই বয়সটা বিবেচনা করতে চান না। তবে এ দৃষ্টিভঙ্গিতে শুকনো পকেটের কিংবা নায়কসদৃশ তরুণেরা একটু কষ্ট পেতে পারেন। ভারতে সম্প্রতি ঘটে যাওয়া এমন এক ঘটনায় তরুণদের কষ্ট পাওয়ারই কথা। হয়তো অনেকে ঈর্ষাও করতে পারেন। যুক্তরাস্ট্রে বসবাসকারী এক ৬৮ বছর বয়সী ডাক্তার বিয়ে করার আগ্রহ প্রকাশ করে বিজ্ঞাপন দেন। বিজ্ঞাপনে তিনি বলেন, বিয়ের পর পাত্রীকে আমেরিকায় নিয়ে যাবেন। আর যায় কোথায়! এক দিনেই তিনি ১৫২ জন পাত্রীর সাড়া পান, যার মধ্যে ২১ বছরে তরুণীরাও রয়েছেন!
ডা. রমন শাহ বর্তমানে নিউ ইয়র্কে প্রাকটিস করছেন। তিনি একজনকে ভালোবাসতেন। তবে তিনি ডা. রমনের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে যেতে রাজি ছিলেন না। এ কারণে তাকে আর বিয়ে করেননি। কয়েক বছর আগে তিনি মা-বাবা ও দুই ভাইকে হারিয়েছেন। মাস খানেক আগে ভারতের আহমেদাবাদভিত্তিক একটি এনজিওতে কাজের জন্য আসেন তিনি। সেখানেই বিয়ের ইচ্ছার কথা জানান। তিনি এমন মেয়েকে বিয়ে করবেন যিনি নিউ ইয়র্কে যেতে আগ্রহী। পাত্রীর জন্য কোনো বয়স, জাত ও ধর্ম নিয়ে কোনো বাধা নেই।
এ খবরে পাত্রীদের হুড়োহুড়ি শুধু ওই এনজিওকে অবাক করেনি, ডা. রমনও বিস্মিত হয়েছেন। ঐ এনজিও’র সমন্বয়ক বলেন, আমরা মনে করেছিলাম, ২৫ থেকে ৩০ জনের সাড়া পাবো এবং তাদের বয়স ৪৫ থেকে ৫০ হবে। কিন্তু তাকে বিয়ে করার জন্য তো পাত্রীদের লাইন পড়ে গেছে। ১৫২জন তাকে বিয়ে করে যুক্তরাষ্ট্রে যেতে চায়। সুরাট থেকে ২১ বছর বয়সী একজন মুসলিম মেয়ে এবং আহমেদাবাদ থেকে একই বয়সী এক হিন্দু মেয়ে তাকে বিয়ে করতে চায়। আশ্চর্য হলেও সত্য যে, আহমেদাবাদের ৩৫ বছর বয়সী একজন নারী বলেছেন তার স্বামী আছেন। কিন্তু রমন যদি তাকে বাছাই করেন তবে তিনি স্বামীকে ছেড়েই চলে যাবেন। সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী নভেম্বরে কোনো একজনের গলায় মালা পরাবেন তিনি।
