গ্রাহকের অ্যাকাউন্ট ছাড়া মোবাইল ব্যাংকিং করা যাবে না

আপডেট : ০১ সেপ্টেম্বর ২০১৩, ২৩:১৬
মোবাইল ব্যাংকিং করতে প্রত্যেক গ্রাহকের নিজস্ব অ্যাকাউন্ট থাকতে হবে। এজন্য অন্যের অ্যাকাউন্ট বা এজেন্টের অ্যাকাউন্টও ব্যবহার করা যাবে না। আর এক্ষেত্রে গ্রাহকের মোবাইল অ্যাকাউন্ট আছে কিনা সে বিষয় নিশ্চিত করতে হবে এজেন্টকে। এ নির্দেশনা না মানলে বা অনিয়ম পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট এজেন্ট বা এজেন্টদের এজেন্সিশীপ বাতিল করার জন্য ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। মোবাইলে অর্থসেবা সংক্রান্ত নীতিমালা সংশোধন করে গতকাল বাংলাদেশ ব্যাংক একটি সার্কুলার জারি করে তফসিলি ব্যাংকগুলোর ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের কাছে পাঠিয়েছে। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে এ নির্দেশনা কার্যকর করার কথা বলা হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, মোবাইল ব্যাংকিংয়ের অ্যাকাউন্ট নেই, তারপরও কোনো এজেন্ট বা গ্রাহকের হিসাব ব্যবহার করে অর্থ স্থানান্তর করা হচ্ছে, যা ঝুঁকিপূর্ণ ও মোবাইল ব্যাংকিং নীতিমালার পরিপন্থী। সংশোধিত নীতিমালায় বলা হয়েছে, ২০১১ সালের ডিসেম্বরে জারি করা গাইড লাইনে এক অ্যাকাউন্ট থেকে আরেক অ্যাকাউন্টে অর্থ স্থানান্তরের সীমা নির্ধারণ করে দেয়া হলেও ক্যাশ ইন বা ক্যাশ আউট-এর অর্থের সীমা নির্ধারণ করে দেয়া হয়নি। সংশোধিত গাইড লাইনে এ বিষয়েও সর্বোচ্চ লেনদেন সীমা ঠিক করে দেয়া হয়েছে। সংশোধিত নীতিমালায় একজন গ্রাহকের অ্যাকাউন্টে দৈনিক নগদ জমা সর্বোচ্চ পাঁচ বার ও মাসে ২০ বার এবং দৈনিক নগদ উত্তোলন তিন বার ও মাসে ১০ বার নির্ধারণ করা হয়েছে। আর একজন গ্রাহক দৈনিক ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত নগদ জমা ও উত্তোলন করতে পারবেন। তবে মাসিক ভিত্তিতে তিনি দেড় লাখ টাকার অধিক জমা বা উত্তোলন করতে পারবেন না। একজন গ্রাহকের হিসাব থেকে অন্য গ্রাহকের হিসাবে প্রতিদিন সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা এবং মাসিকভিত্তিক সর্বমোট ২৫ হাজার টাকা স্থানান্তরে আগের নিয়ম বহাল রাখা হয়েছে। অন্যদিকে একজন এজেন্ট দৈনিক পাঁচ বারের বেশি নিজের এজেন্ট অ্যাকাউন্টে টাকা জমা দিতে পারবেন না বলেও নির্দেশনায় বলা হয়েছে। নীতিমালায় আরো বলা হয়েছে, মোবাইল ব্যাংকিংয়ের অ্যাকাউন্ট খোলার সময় কেওয়াইসি (নো ইউর কাস্টমার) সঠিকভাবে পূরণ করে সংরক্ষণ করতে হবে। গ্রাহকের হিসাব খোলার আবেদন বা কেওয়াইসি ফরম ব্যাংক কর্তৃক যাচাই এবং অনুমোদন করার পূর্বে নগদ অর্থ জমা গ্রহণ ব্যতীত অন্য কোনোরূপ লেনদেন করা যাবে না।