প্রকাশিত সংবাদ প্রসঙ্গে

আপডেট : ০১ সেপ্টেম্বর ২০১৩, ২৩:২১
২৯ আগস্ট দৈনিক ইত্তেফাকে প্রকাশিত “নারী প্রতারকের খপ্পরে মেজর” শীর্ষক সংবাদে গুলশান-১, রোড-২৫, হাউস-৩৮/বি ও ফ্ল্যাট এ/৪-এর বাসিন্দা কেশোয়ারা সুলতানা ওরফে সালমা এক প্রতিবাদে বলেছেন যে, তিনি বর্তমানে যুব মহিলা লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক। বর্তমানে রাজনীতির পাশাপাশি রিয়েল এস্টেটের ব্যবসা পরিচালনা করেন। ২০০৯ সালে ব্যবসা সংক্রান্ত চাঁদাবাজির ঘটনা নিয়ে র্যাব-১ মেজর সুমনের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। তাদের উভয়ের গ্রামের বাড়ি একই জেলায়। সেই থেকে সু-সম্পর্ক ও বন্ধুত্ব গড়ে উঠে। মেজর সুমন দুই দফা সালমার কাছ থেকে ১৩ লাখ টাকা ধার নেন। এরমধ্যে ৫ লাখ টাকা মেজর সুমন পরিশোধ করেছেন। তার পুত্রের বিদেশে চিকিত্সার জন্য মেজর সুমন সালমার কাছে আরও সাত লাখ টাকা ধার নেন। মোট কথায় মেজর সুমনের সঙ্গে সালমার গভীর সম্পর্ক। এক পর্যায় সালমা তার আগের স্বামী সলিম মৃধাকে তালাক দিয়ে গত বছর ৩১শে জুলাই মেজর সুমনকে বিয়ে করেন। বিয়ের কিছুদিন পর মেজর সুমন সালমার কাছে ১০ লাখ টাকা চান। এই টাকা দিতে অস্বীকার করলে মেজর সুমন সালমাকে মারধর ও শারীরিক নির্যাতন করেন। এ ঘটনায় গত বছর ৬ নভেম্বর গুলশান থানায় সালমা বাদি হয়ে মামলা দায়ের করেন। এছাড়া মেজর সুমনের বিরুদ্ধে প্রতারণাসহ আরও তিন মামলা করেছে সালমা। এ সকল মামলা বিচারাধীন। প্রকাশিত সংবাদে সালমা সম্পর্কে যে তথ্য প্রকাশিত হয়েছে তা সঠিক নয় বলে তিনি দাবি করেন।