ঝিনাইদহে সাসপেণ্ড হওয়া ১০ ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের মধ্যে ৯টিতে এখনও প্যানেল চেয়ারম্যান অনুমোদন হয়ে আসেনি। এসব ইউনিয়নে কাজকর্ম ব্যাহত হচ্ছে। সামপ্রতিক সময়ে সহিংস ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে ঝিনাইদহ জেলার বিভিন্ন উপজেলায় ১০ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও ২১ জন ইউপি সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। সাময়িক বরখাস্তকৃত চেয়ারম্যান ইউপি সদস্যগণ জামায়াতের স্থানীয় নেতাকর্মী বলে জানা গেছে। তারা গ্রেপ্তার এড়াতে পলাতক রয়েছেন।
স্থানীয় সরকার ও সমবায় মন্ত্রণালয় থেকে জেলা প্রশাসকের দপ্তরে পাঠানো তালিকায় বরখাস্তকৃত চেয়ারম্যান ও সদস্যগণ হচ্ছেন কালীগঞ্জ উপজেলার সুন্দরপুর-দুর্গাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলিনুর রহমান, কোটিচাঁদপুর উপজেলার দোড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক ও ইউপি সদস্য বাবুল হোসেন, সাবদারপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আজগর আলি ও ইউপি সদস্য কবির হোসেন, কুশনা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শরিফুর রহমান ও ইউপি সদস্য শফি উদ্দিন, বলুহর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শাহ আলম ও এলাঙ্গী ইউনিয়নের ইউপি সদস্য আবুল কালাম। মহেশপুর উপজেলার স্বরূপপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ জুলফিকার আলি ও ইউপি সদস্য মোঃ আকতার আলি, নেপা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ ছাদিকুর রহমান ও মেম্বর চাঁদ মিয়া, মোঃ রফিকুল ইসলাম, মোঃ জাকির হোসেন, মোঃ নাসির উদ্দিন এবং একেএম আনারুল ইসলাম, কাজীরবেড় ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আব্দুল আলি ও সদস্য মোঃ নাসির উদ্দিন, মোঃ আকতারুজ্জামান, মোঃ জহির উদ্দিন, মোঃ হায়দার আলি এবং মোঃ আব্দুল গনি, যাদবপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ আজিজুর রহমান, নাটিমা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ ফকির আহমেদ ও সদস্য মোঃ সাইফুল ইসলাম, ফতেপুর ইউনিয়নের মেম্বর মোঃ আকতারুজ্জামান, আব্দুল ওয়াহেদ ও মোঃ শাহিনুর রহমান, শ্যামকুড় ইউনিয়নের মেম্বর মোঃ শাহ আলম এবং বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের মেম্বর মোঃ হাফিজুর রহমান।
ঝিনাইদহের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) শেখ রফিকুল ইসলাম বলেন, সাময়িক বরখাস্তকৃত চেয়ারম্যান ও সদস্যগণকে চিঠি পাওয়ার ৩ দিনের মধ্যে প্যানেল চেয়ারম্যানদের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করতে বলা হয়।
