দপ্তরবিহীন মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত বলেছেন, দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন ‘কীভাবে’ হবে তা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ওপর নির্ভর করছে। গতকাল সোমবার সাংবাদিকদের তিনি বলেন, মেয়াদ শেষের আগের ৯০ দিনে অর্থাত্ ২৪ জানুয়ারির মধ্যে নির্বাচনের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সংবিধানের ১২৩ অনুচ্ছেদে ৩ (ক) ও (খ) উপধারায় ‘নির্বাচন অনুষ্ঠানের সময়’ বিষয়ে বলা হয়েছে। এ উপধারা কীভাবে ব্যবহার হবে-তা নির্ভর করছে সরকার প্রধানের ওপর।
সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত বলেন, সংসদ ভেঙ্গে দেয়ার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী সংবিধানের ৫৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতিকে অনুরোধ করতে পারেন। প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শেই সংসদ ডিজলভ করলে পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে [১২৩ অনুচ্ছেদের (খ) অনুযায়ী] নির্বাচন হবে। ভেঙে দেয়ার অনুরোধ না করলে নিয়মানুযায়ী মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার [২৪ জানুয়ারি] আগের ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন করতে হবে। সংসদ ভেঙে দিতে চাইলে প্রধানমন্ত্রীকে অবশ্যই মেয়াদ শেষের ৯০ দিন আগেই তথা ২৭ অক্টোবরের আগেই রাষ্ট্রপতিকে পরামর্শ দিতে হবে বলে জানান তিনি। ৫৭ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, সংসদ ভাংগিয়া দিবার জন্য লিখিতভাবে [প্রধানমন্ত্রী] রাষ্ট্রপতিকে পরামর্শদান করিবেন এবং তিনি অনুরূপ পরামর্শদান করিলে রাষ্ট্রপতি, এই মর্মে সন্তুষ্ট হইলে, সংসদ ভাংগিয়া দিবেন। প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ নিয়ে সংবিধানের ৪৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী কোনো প্রশ্নেরও সুযোগ নেই। তিনি বলেন, সংবিধানের ১২৩ অনুচ্ছেদ প্রয়োগের সুইচ প্রধানমন্ত্রীর হাতে। এ কাজটা প্রধানমন্ত্রীকে তার মেয়াদকালের মধ্যে করতে হবে। মেয়াদের ৫ বছরের মধ্যে তিনি করতে পারবেন, এর বাইরে নয়।
