চলতি অর্থবছরের (২০১৩-১১৪) দ্বিতীয় মাস আগস্টে প্রবাসী বাংলাদেশিরা ১০০ কোটি ৮২ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন। যা গত ২০ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন পরিমাণের। ২০১১ সালের নভেম্বর মাসের পর থেকে প্রতিমাসেই গড়ে ১২০ কোটি ডলারের বেশি রেমিট্যান্স দেশে এসেছে। সাম্প্রতিক সময়ে দেশের চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতায় বিনিয়োগে মন্দা ও ডলারের অব্যাহত দরপতনের কারণেই রেমিট্যান্স প্রবাহে এ ভাটা শুরু হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রানীতি বিভাগের হালনাগাদ পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, গত অর্থবছরে (জুলাই-জুন) প্রবাসীরা মোট এক হাজার ৪৪৬ কোটি পাঁচ লাখ মার্কিন ডলারের সমপরিমাণ রেমিট্যান্স পাঠিয়েছে। অর্থাত্ প্রতিমাসে গড়ে ১২০ কোটি ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। যদিও গত বছরের অক্টোবর মাসে অর্থবছরের সর্বোচ্চ ১৪৫ কোটি ডলার এসেছিল। গত অর্থবছরের আগস্টে ১১৭ কোটি ৮৬ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স এসেছিল।
আগস্ট মাসে আসা রেমিট্যান্সের মধ্যে ৩৩ কোটি ডলার এসেছে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন চার বাণিজ্যিক ব্যাংক এবং এক কোটি সাত লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে বিশেষায়িত দু’টি ব্যাংকের মাধ্যমে। আর বেসরকারি ২৯টি বাণিজ্যিক ব্যাংকের মাধ্যমে ৬৫ কোটি ২৪ লাখ ডলার এবং বিদেশি নয়টি বাণিজ্যিক ব্যাংকের মাধ্যমে রেমিট্যান্স এসেছে এক কোটি ৫০ লাখ ডলার।াংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, টাকার বিপরীতে ডলারের চাঙ্গা ভাবের কারণে গত অর্থবছরের প্রথম থেকেই প্রবাসীরা বেশি বেশি রেমিট্যান্স পাঠাচ্ছিলেন। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে ডলারের দাম কমে যাওয়ায় প্রবাসীরা কম পরিমাণে রেমিট্যান্স পাঠানোর প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।
