ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলা হাজার বছরের প্রাচীন ভোলাচং হাইস্কুলের মাঠের কেটোপোদ্দার দীঘিটি প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ভরাটের অভিযোগে রবিবার রাতে পৌরসভার পক্ষ থেকে থানায় মামলা করে। পরিবেশ ও জলাধার সংরক্ষণ আইনে পৌরসভার উপসহকারী প্রকৌশলী মেজবাহ উদ্দীন বিদ্যুত্ বাদি হয়ে ৫ জনকে আসামি করে এই মামলা দায়ের করেন। পৌর এলাকার ভোলাচং গ্রামের মনিন্দ্র ও ধীরেন্দ্র রায় এই দুই ভাইয়ের হাজার বছরের প্রাচীন দীঘিটি তাদের ওয়ারিশগণের কাছে থেকে নবীনগর পৌর এলকার পশ্চিম পাড়ার সমর দাস তার দুই ভাতিজা সুজন, সুমন দাস গংদের নামে প্রায় ৩ কোটি টাকার বিনিময়ে খরিদ করে। সুজন দাস ও সুমন দাস গংরা রাস্তা ও স্কুলের জায়গা ভরাটের অযুহাতে গত তিনদিন যাবত্ পৌরসভার আইন উপেক্ষা করে ড্রেজার লাগিয়ে বালি দিয়ে ভরাট করতে থাকে।
দীঘিটির ওয়ারিশ দিলীপ রায় ৩ কোটি টাকা বিক্রির কথা স্বীকার করে বলেন, পুকুর ভরাটের উদ্দেশ্যে আমরা বিক্রি করেনি। সুজন দাসের চাচা সমর দাস বলেন, রাস্তা করার জন্য বালি দিয়ে পুকুরের পাড় ভরাট করছিলাম, পুকুর ভরাটের জন্য নয়, কিন্তু পৌরসভা নিষেধ করায় বন্ধ করে দিয়েছি।ওসি মো: আবু জাফর বলেন, পৌরসভা জলাধার আইনে মামলা দিয়েছে এবং আসামিদের দ্রুত গ্রেফতারের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। পৌর প্রশাসক আ.ন.ম নাজিমউদ্দীন বলেন, পৌরসভার পরিবেশ ও জলাধার সংরক্ষণ আইন লংঘন করায় আমরা পুকুরের মালিকের বিরুদ্ধে মামলা করেছি।
