পাঁচ বিভাগীয় ও এক জেলা শহরে খালেদা জিয়ার জনসভা

আপডেট : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০১৩, ২৩:১৬
বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার ছয়টি জনসভা ঘিরে ব্যাপক প্রস্তুতি নিচ্ছে দলটি। আগামী রবিবার (৮ সেপ্টেম্বর) থেকে ৫ অক্টোবর পর্যন্ত ৫ বিভাগীয় এবং ১ জেলা শহরে এসব সিরিজ গণসংযোগ অনুষ্ঠিত হবে। নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের দাবিতে চূড়ান্ত আন্দোলনের প্রস্তুতি হিসাবে মাঠস্তরের কর্মী-সমর্থকদের চাঙ্গা করতে এ জনসভাগুলোতে দিক-নির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখবেন বেগম জিয়া। জনসভাগুলো সফল করার লক্ষ্যে দলের ৬ জন সিনিয়র নেতাকে দায়িত্ব দিয়েছেন খালেদা জিয়া। এই নেতারা থাকবেন প্রধান সমন্বয়ক। তাদের সঙ্গে কাজ করবেন দলের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ নেতারা। এই ৬ টি জনসভা শেষে ঈদের পর ঢাকায় মহাসমাবেশ করবে ১৮ দল। তবে তারিখ চূড়ান্ত হয়নি। দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এই প্রসঙ্গে বলেন, দেশের মানুষ এখন বিএনপির দিকে তাকিয়ে আছে। এই সরকারের দুঃশাসনে তাদের এখন ত্রাহিদশা। জানাগেছে, ৮ সেপ্টেম্বর নরসিংদীর জনসভার মধ্য দিয়ে শুরু হবে বেগম জিয়ার কর্মসূচি। এই জনসভা প্রস্তুতির প্রধান সমন্বয়কারীর দায়িত্ব দেয়া হয়েছে দলের ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমানকে। নোমান জানান, তাদের প্রস্তুতি প্রায় সমাপ্তির পথে। ১৫ সেপ্টেম্বর হবে রংপুরের জনসভা। এর প্রধান সমন্বয়ক হিসেবে কাজ করছেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য লে. জে. (অব.) মাহবুবুর রহমান। পরদিন ১৬ সেপ্টেম্বর, সোমবার রাজশাহীতে জনসভায় বক্তব্য রাখবেন তিনি। রাজশাহীর জনসভা প্রস্তুতির দায়িত্ব দেয়া হয়েছে স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খানকে। ২২ সেপ্টেম্বর জনসভা হবে খুলনায়। এই জনসভার মূল সমন্বয়ের দায়িত্ব পালন করবেন স্থায়ী কমিটির সদস্য তরিকুল ইসলাম। ২৯ সেপ্টেম্বর বরিশালে জনসভা এখানে প্রধান সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করছেন স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। ঈদের আগে সর্বশেষ জনসভা হবে আগামী ৫ অক্টোবর সিলেটে। এর প্রধান সমন্বয়কারীর দায়িত্বে রয়েছেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন। বিএনপি সূত্র জানায়, ঈদুল আযহার পর ঢাকার আগে সর্বশেষ জনসভা হবে চট্টগ্রামে। তবে তারিখ এখনো চূড়ান্ত হয়নি। এদিকে চূড়ান্ত আন্দোলনের প্রস্তুতি হিসাবে গত ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে সারাদেশের নেতা-কর্মীদের দিক-নির্দেশনা দিতে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতাদের সমন্বয়ে সাংগঠনিক সফরে মাঠে নেমেছে ৫৬ টি টিম। এসব টিম পর্যায়ক্রমে মাঠে থাকবে। এই টিম নেতারা সারাদেশের ৭৫টি সাংগঠনিক জেলায় সফরশেষে সংগঠনের নানা দিক, সমস্যা ও নির্দলীয় সরকারের বিষয়ে জনমতের চিত্র দলের চেয়ারপারসনের কাছে জমা দিচ্ছেন।