সুন্দরবনের পশ্চিম বিভাগ পর্যটকদের জন্য অনন্য

আপডেট : ০৪ সেপ্টেম্বর ২০১৩, ১৯:৪৩
সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগের জঙ্গলের মধ্যের অসংখ্য টুরিস্ট স্পট রয়েছে। এসব স্পটের মধ্যে কয়েকটি স্পট পর্যটকদের মন কেড়ে নেয়। যেমন দোবেকি বন টহল ফাঁড়ি। জঙ্গলের গভীরে বন বিভাগের এ টহল ফাঁড়িটির তিন পাশে নদী এবং এক পাশে নদী সংলগ্ন জঙ্গল। এখানে একটি বড় পুকুর আছে তার পাড়ে সকাল সন্ধ্যা হরিণ দেখা যায়। দোবেকি থেকে তিন ঘন্টা বোট চালিয়ে কালির চর নামের একটি দ্বীপ জঙ্গল আছে। ফাঁকা ফাঁকা কেওড়া গাছের বন এখানে বড় বড় শাসমূলে(ম্যানগ্রোভ) ভরা। পর্যটকদের জঙ্গলে হাঁটাহাঁটি করার মত অনেক জায়গা রয়েছে এখানে। হাঁটতে হাঁটতে চোখে ছুটে পালানো অনেক হরিণ দেখা যাবে। কালিরচর থেকে ছেড়ে সোজা বোট চালালে তিন ঘন্টা পর মান্দারবাড়ীয়া সমুদ্র সৈকত, সুন্দরবন সংলগ সমুদ্র সৈকতে বেড়ানোর পর্যটকদের জন্য উপযুক্ত স্থান। মাঝে মাঝে হরিণসহ বন্য শূকর এবং বালির চরে অসংখ্য রয়েল বেঙ্গল টাইগার মামার পায়ের চিহ্ন দেখা যায়। ক্যাম্প করে থাকলে সন্ধ্যা বা গভীর রাতে সমুদ্র সৈকতে শিকার ধরার সময় বাঘ মামার দেখা পাওয়া যেতে পারে। মান্দারবাড়িয়ার দক্ষিণে সমুদ্রের অনেক খানি ভেতরে পুটনি আইল্যা (স্থানীয় ভাষায় বিবির মেদে) নামের একটি দ্বীপ আছে। যেখানে একাংশে জঙ্গল ও আরেক অংশে নতুন বিশাল বালির চর। এখানেও বন্য জীবজন্তু আছে। এক কথায় নয়নাভিরাম দৃশ্য। মান্দারবাড়িয়ার পূর্ব দিকে বোট চালিয়ে চার ঘন্টা পর বড় আড় পাঙ্গাশিয়া নদীর মোহনা পেরিয়ে বালির গাং সি বিচ হয়ে হিরণ পয়েন্টে যাওয়ার সময় ছোট খালের মধ্যের দুইপাড়ে চিত্রা হরিণের দেখা মেলে । হিরণ পয়েন্টে পৌঁছে বন বিভাগের অফিস সংলগ্ন পুকুর পাড়ে সকাল সন্ধ্যা দলে দলে হরিণ দেখা যায়।