জেলেরা পৈতৃক পেশা ছেড়ে দিচ্ছে

আপডেট : ০৪ সেপ্টেম্বর ২০১৩, ১৯:৪৯
সুন্দরবনের পশ্চিম বন বিভাগের সাতক্ষীরা রেঞ্জের জেলেদের জন্য নিষিদ্ধ এক অভয়ারণ্যের নাম মাদারবাড়িয়া । বহুকাল থেকে শুরু হয়ে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত মাদারবাড়িয়া ছিল শুঁটকি জেলেপল্লী । ১৯৯৬ সালে সুন্দরবনের পশ্চিম বন বিভাগ মাছ শুঁটকির জেলেপল্লী তুলে দিয়ে পূর্ব ও পশ্চিম একত্রিত করে দুবলার চরে শুঁটকির কাজ শুরু করে। এতে সুন্দরবনের পূর্ব রেঞ্জের জেলেদের অত্যাচার-নির্যাতনে পশ্চিম অঞ্চলের জেলেরা তাদের পৈতৃক পেশা বাদ দিতে বাধ্য হচ্ছে এবং বেকার হয়ে পড়েছে এ অঞ্চলের শত শত জেলে। তাই পশ্চিম অঞ্চলের জেলেরা মনে করে সুন্দরবনের পশ্চিমাঞ্চলের মাদারবাড়িয়াসহ আরো কয়েকটি জেলেপল্লী গড়া প্রয়োজন । সুন্দরবনের পূর্ব বিভাগে অবস্থিত দুবলার চর। এখানকার মাছ শুঁটকির জেলেপল্লীতে বছরের ছয় মাস জেলেরা ব্যস্ত সময় পার করে। এখানকার শুঁটকি দেশের অধিকাংশ জেলায় বিক্রয় হয়ে থাকে। হাজার হাজার জেলে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে মাছ শুঁটকির কাজ করে জীবন জীবিকা নির্বাহ করে থাকে। প্রতি বছরে এখান থেকে হাজার কোটি টাকার বেশি মাছ শুঁটকি বিক্রয় হয় এবং সরকার কোটি টাকার রাজস্ব আদায় করে থাকে। কিন্তু পূর্ব ও পশ্চিমাঞ্চলের জেলেদের মধ্যে বিরাজমান দ্বন্দের কারণে সুন্দরবনের পশ্চিম অঞ্চলের জেলেরা সেখানে কাজ করতে পারছে না। এতে বেকার হয়ে পড়ছে এ অঞ্চলের শত শত জেলে।