শেয়ারবাজারে ব্যাংকিং সেক্টরের লেনদেন কম

আপডেট : ০৪ সেপ্টেম্বর ২০১৩, ২০:০৮
গত কয়েক বছরের তথ্য অনুযায়ী শেয়ারবাজারে সাধারণত সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয় ব্যাংকিং খাত ঘিরে। অথচ গত কয়েক মাস ধরে লেনদেনে এ খাতের অবদান সর্বনিম্ন পর্যায়ে পৌঁছেছে। গতকাল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) লেনদেনে এ খাতের অবদান ছিল মাত্র ৩ দশমিক ১২ শতাংশ। বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এ খাতের লেনদেন কমে যাওয়ার ফলেই শেয়ারবাজারের মোট লেনদেন আশাব্যঞ্জক হারে হচ্ছে না। ব্যাংকিং খাতের মুনাফার প্রবৃদ্ধি কমে যাওয়ায় এ খাতের লেনদেন কমে গেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। তথ্যে দেখা গেছে, গতকাল ডিএসই’র ব্রড ইনডেক্স (ডিএসইএক্স) আগের কার্যদিবসের তুলনায় ০.৫৬ পয়েন্ট বেড়ে ৪ হাজার ১২৮ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএস-৩০ সূচক ৫ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৫৪৬ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। এদিন ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৫৩০ কোটি ৬৩ লাখ ৬৬ হাজার টাকা। যা আগের দিনের চেয়ে ৭৩ কোটি ৯১ লাখ টাকা বেশি। লেনদেনকৃত ২৮৯টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ১১৫টির, কমেছে ১৪৬টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২৮টি কোম্পানির শেয়ারের। এদিকে ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের সহায়তা তহবিলের টাকা ব্রোকারেজ হাউজ ও মার্চেন্ট ব্যাংকের মধ্যে বণ্টন করতে ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি) ৬ সদস্যের ঋণ মঞ্জুরি কমিটি গঠন করেছে। আইসিবি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফায়েকুজ্জামান এ কমিটির আহবায়ক। এখন ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের সহায়তা তহবিল থেকে ব্রোকারেজ হাউজ ও মার্চেন্ট ব্যাংকগুলো প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও আবেদনের প্রেক্ষিতে অর্থ নিতে পারবে।