মহুয়া এক্সপ্রেসের আধুনিকায়ন ও দু’টি নতুন ট্রেন চাই

আপডেট : ০৪ সেপ্টেম্বর ২০১৩, ২১:২০
সম্প্রতি ঢাকা-মোহনগঞ্জ লাইনে ‘হাওর এক্সপ্রেস’ নামে আধুনিক সুযোগ-সুুবিধা সম্বলিত একটি ট্রেন চালু হয়েছে। এতে নেত্রকোনা ও সুনামগঞ্জ জেলার হাওরবাসীসহ অন্য যাত্রীরা কিছুটা হলেও স্বস্তি পেয়েছেন। এ লাইনে যে সংখ্যক যাত্রী যাওয়া-আসা করেন তাতে হাওর এক্সপ্রেসে সংকুলান হয় না। একই লাইনে চালু বহুদিনের পুরানো ‘মহুয়া এক্সপ্রেস’ বর্তমানে লক্কড়-ঝক্কর, বগি স্বল্পতা, সময়মতো না চলা ইত্যাদি কারণে দূরপাল্লার যাত্রীদের খুব একটা উপকারে আসছে না। স্থানীয়ভাবে দাবি উঠেছে মহুয়াকেও হাওরের মতো আধুনিক করে এ লাইনে সুবিধাজনক সময়সূচিতে চালু করার জন্য। সত্যি বলতে কী ‘হাওর’ ও ‘মহুয়া’ উভয় এক্সপ্রেস ক্যাটাগরির ট্রেন। দু’এক্সপ্রেসের মধ্যে আকাশ-পাতাল ফারাক। তার চেয়েও বড় কথা ভাটি বাংলার যাত্রীদের প্রয়োজনীয়তার কথা চিন্তা করে মহুয়ার আধুনিকায়ন করা জরুরি। মোহনগঞ্জ-ঢাকা লাইনে চলাচলকারী যাত্রীর সংখ্যা পর্যাপ্ত। যাত্রী স্বল্পতায় ট্রেন অলাভজনক হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। মোহনগঞ্জ থেকে প্রতিদিন ঢাকা, ময়মনসিংহ, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চল এবং উত্তর-দক্ষিণ বাংলায় হাজার হাজার মানুষ যাওয়া-আসা করে। যদিও মোহনগঞ্জের সঙ্গে সারা দেশের সড়ক যোগাযোগ রয়েছে। সড়কের বেহাল দশা। অপ্রতুল যানবাহন, তীব্র যানজটে দূরবর্তী যাত্রীদের কষ্টকর পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হয়। এছাড়া এ অঞ্চলের মানুষ রেলে অভ্যস্ত, রেল সাশ্রয়ী-আরামদায়ক-কম ঝুঁকিপূর্ণ বলে যাতায়াতে রেল সুবিধা সবাই কামনা করে। মানুষ বাড়ছে, মানুষের প্রয়োজনীয়তা বাড়ছে। বাড়ছে দেশ জুড়ে যাতায়াতকারীর সংখ্যা। সঙ্গতকারণেই মোহনগঞ্জের সঙ্গে কম করে হলেও আরো দু’টি নতুন ট্রেন চালু করা আবশ্যক— মোহনগঞ্জ-চট্টগ্রাম এবং মোহনগঞ্জ-বঙ্গবন্ধু সেতু পর্যন্ত দু’টি ট্রেন চালু করলে বর্তমান যাতায়াত সংকট কিছুটা হলেও লাঘব হবে। এ ব্যাপারে রেল কর্তৃপক্ষের সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। ইমদাদ সিয়াধার, মোহনগঞ্জ, নেত্রকোনা ২৪৪৬