সড়কের এক পাড়ে পদ্মা নদীর পানিতে টইটুমু্বর মাঠ-ঘাট, ফসল ডুবে যায় অপর পাড়ে ফসলের মাঠ শুকিয়ে মাটি ফেটে চৌচির হয়ে থাকে ভরা ভাদরেও। খালবিল ও নদীতে পানি থাকে না বর্ষাকালে। নাটোরের লালপুর উপজেলার মাধবপুর পালপাড়াসহ কয়েকটি স্থানে খালের মুখে স্থায়ী বাঁধ দিয়ে নদীর পানি বন্ধ করে পাকা সড়ক নির্মাণ করায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। সোমবার গভীর রাতে এলাকাবাসী মাধবপুর পালপাড়ায় সড়কের নিচ দিয়ে সুড়ঙ্গ কেটে চাষাবাদের জন্য পদ্মার পানি নিচ্ছে খালে। এতে যে কোন সময় সড়কটি ভেঙ্গে পড়তে পারে। লালপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আমিরুল ইসলাম জানান, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব সুড়ঙ্গটি বন্ধ করে দেয়া হবে।
এলাকাবাসী জানায়, তারা প্রায় ২০ বছর ধরে চাষাবাদের সুবিধার্থে লালপুর-বিলমাড়িয়া সড়কের মাধবপুর পালপাড়ার খালের মুখে ভেঙ্গে যাওয়া ব্রিজের স্থলে পুনরায় ব্রিজ নির্মাণ করে স্লুইস গেট নির্মাণের দাবি জানিয়ে আসছে। এতে কাজ না হওয়ায় কয়েক বছর আগেও তারা একই কায়দায় জমিতে পানি নিয়েছেন । তারা দাবি করেন, পালপাড়ার ঐ স্থানে স্লুইস গেট নির্মাণ করা হলে বর্ষাকালে উপজেলার মাধবপুর বিল, বিলশলিয়া বিল, ন্যাজাগাড়ার বিল, কাংড়ির বিলসহ সব ক’টি বিলে পদ্মার পানি প্রবেশ করবে এবং বাড়তি পানি খলিশাডাঙ্গা নদী দিয়ে বড়াল নদীতে গিয়ে পড়বে। এতে ঐ এলাকার হাজার হাজার জমিতে চাষাবাদ করা সহজ হবে।
