নাঙ্গলকোট (কুমিল্লা) সংবাদদাতা-
নাঙ্গলকোট আধুনিক মেডিক্যাল সার্ভিসেস হাসপাতালে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালিয়ে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এক ভুয়া ডাক্তারকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত ডাক্তারের নাম খোরশেদ আলম।
জানা যায়, নাঙ্গলকোট আধুনিক মেডিক্যাল সার্ভিসেসে গত ৪বছর ধরে কর্মরত ডাক্তার খোরশেদ আলম নিজেকে এম বি বি এস (ঢাকা মেডিক্যাল), এফ সি পি এস (মেডিসিন) এম ডি (নিউরো মেডিসিন) এবং ডায়াবেটিস, প্যারালাইসিস বিশেষজ্ঞ হিসেবে পরিচয় দিয়ে ৫শ’ টাকা ফি’র বিনিময়ে রোগীদের চিকিত্সা করে আসছিলেন। তার বিরুদ্ধে অভিযোগের ভিত্তিতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ সাইদুল আরীফ এবং কোম্পানি কমান্ডার-মেজর শাহেদ হাসানের নেতৃত্বে র্যাবের একটি দল মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে। জিজ্ঞাসাবাদে খোরশেদ আলম ডাক্তার হিসেবে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র উপস্থাপন করতে ব্যর্থ হয়। ফলে ভ্রাম্যমাণ আদালত খোরশেদ আলমকে ভুয়া ডাক্তার হিসেবে প্রতারণার অভিযোগে ৬ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করে। জরিমানা অনাদায়ে বিনাশ্রমে আরো ৩মাসের কারাদণ্ড দেয়। জিজ্ঞাসাবাদে খোরশেদ আলম তার স্থায়ী ঠিকানা কখনো চট্টগ্রামের মেহেদিবাগ এবং কখনো কক্সবাজারের রামু বলে জানায়। ইতিপূর্বে সে ঢাকা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, নোয়াখালী, ফেনীসহ বিভিন্ন জায়গায় ভুয়া ডাক্তার হিসেবে প্রতারণা করার কথাও স্বীকার করে।
বাঞ্ছারামপুরে ডাক্তার দম্পতির কারাদণ্ড !
বাঞ্ছারামপুর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) সংবাদদাতা
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বাঞ্ছারামপুর ইসলামিয়া হাসপাতাল থেকে গত মঙ্গলবার ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এটিএম কাউছার হোসেন ডাক্তার কাউছার খান ও তার স্ত্রী ইসরাত জাহানকে গ্রেফতার করে এক বছরের কারাদণ্ড প্রদান করেছেন। জানা গেছে, তারা ডাক্তার হিসেবে হোমনা ও গৌরীপুরের বিভিন্ন হাসপাতালে সার্জন হিসেবে সিজারসহ বিভিন্ন অপারেশন করতো। তাদের শিক্ষাগত যোগ্যতার কাগজপত্রে জটিলতার বিষয়টি হোমনার স্থানীয় সাপ্তাহিক হোমনার কণ্ঠে প্রকাশিত হওয়ার পর গত এপ্রিল মাসে বাঞ্ছারামপুর ইসলামিয়া হাসপাতালে যোগদান করেন। ভুয়া ডাক্তার বিষয়টি নিয়ে এলাকায় আলোচনা হলে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাদের শিক্ষাগত যোগ্যতার কাগজপত্র চাইলে সঠিক কাগজপত্র দেখাতে না পারার কারণে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাদেরকে উক্ত সাজা প্রদান করেন ।
