চৌদ্দগ্রামে পাঁচ সন্তানের জননীকে পিটিয়ে হত্যা

আপডেট : ০৪ সেপ্টেম্বর ২০১৩, ২১:৪৬
চৌদ্দগ্রামের কৈয়ানী গ্রামে তিন লাখ টাকা যৌতুক না দেয়ায় পাঁচ সন্তানের জননীকে পিটিয়ে হত্যা করেছে পাষণ্ড স্বামী ও সতীন। হতভাগা গৃহবধূর নাম লতিফা খাতুন। পুলিশ ঘটনার সাথে জড়িত অভিযোগে সতীন হোসনে আরাকে আটক করেছে। পাষণ্ড স্বামী নুরুল হক পলাতক রয়েছে। জানা গেছে, ২৮ বছর আগে কৈয়ানী গ্রামের সামছুল হকের ছেলে ব্যবসায়ী নুরুল হকের সাথে রামচন্দ্রপুর গ্রামের মৃত হাজী সিরাজুল ইসলামের মেয়ে লতিফা খাতুনের (৩৮) বিয়ে হয়। বিয়ের পর লতিফার পরিবার ২৪ শতক জমি বিক্রি করে নুরুল হককে কুয়েত পাঠায়। কয়েক বছর পর সে দেশে ফিরে স্থানীয় চৌমুহনী বাজারে ব্যবসা শুরু করে। দু’বছর আগে নুরুল হক লতিফার সম্মতি না নিয়ে গজারিয়া গ্রামের আবুল হাশেমের স্ত্রী পাঁচ সন্তানের জননী হোসনে আরাকে বিয়ে করে। এরপর নুরুল হক আবার বিদেশ যাওয়ার কথা বলে লতিফার পরিবারের কাছে তিন লাখ টাকা যৌতুক দাবি করে। সোমবার দুপুরে সতীন হোসনে আরা লতিফাকে মারধর করলে বিচার চাইতে লতিফা চৌমুহনী বাজারে স্বামী নুরুল হকের দোকানে গেলে সে তাকে পিটিয়ে গুরুতর জখম করে। পরে স্থানীয়রা লতিফাকে উদ্ধার করে প্রথমে কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ও পরে ঢাকায় নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।