সংবিধানের আলোকেই হবে আগামী নির্বাচন :প্রধানমন্ত্রী

আপডেট : ০৪ সেপ্টেম্বর ২০১৩, ২২:৫৮
প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা বিরোধী দলের তত্ত্বাবধায়ক সরকার পুনর্বহাল দাবি আবারো নাকচ করে দিয়ে বলেছেন, আগামী দশম জাতীয় নির্বাচন সংবিধান মোতাবেক হবে সেটাই আমাদের লক্ষ্য। গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা অব্যাহত এবং সাংবিধানিক পন্থায় নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতা হস্তান্তরের কাজ আওয়ামী লীগই সূচনা করে যাবে। কেননা জনগণের গণতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক অধিকার রক্ষায় একমাত্র আওয়ামী লীগই আন্তরিক। তিনি বলেন, আগামী নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে এবং নির্বাচিত সরকারের কাছেই শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর হবে। জনগণ যাকে ভোট দেবে সেই ক্ষমতায় আসবে, অন্য কেউ নয়। গতকাল বুধবার গণভবনে আগামী নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী নির্বাচনের জন্য তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। তৃণমূলের সঙ্গে সিরিজ মতবিনিময়ের প্রথম দিনে দিনাজপুর, জামালপুর, রাজবাড়ী, মানিকগঞ্জ, লালমনিরহাট, গাজীপুর ও ভোলা জেলা, উপজেলা, থানা ও পৌরসভা কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকরা অংশ নেন। প্রতিটি আসনের তৃণমূলের নেতাদের তিনজন করে প্রার্থীর নাম সুপারিশ করতে বলেন প্রধানমন্ত্রী। সূচনা বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা ও সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন কোনো একটা জায়গা থেকে শুরু করতে হবে। যাতে দেশ ও জাতিকে বার বার অনিশ্চিত অবস্থার মধ্যে পড়তে না হয়। অগণতান্ত্রিক পন্থায় ক্ষমতায় এসে কেউ আবার জনগণের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে না পারে। সুষ্ঠু নির্বাচনের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচন জরুরি। সুষ্ঠু নির্বাচন না হলে জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতা থাকে না। ২০০১ সালে বিএনপি ভোট চুরি করে ক্ষমতায় এসেছে বলেই তারা জনগণের প্রতি দায়বদ্ধ থাকেনি। তারা দুর্নীতি-লুটপাট করেছে, জঙ্গিবাদ-সন্ত্রাস সৃষ্টি করেছে। সারাদেশে একসঙ্গে পাঁচশ জায়গায় বোমা হামলা এবং ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার ঘটনা ঘটেছে। জনগণের উন্নয়ন নয়, ক্ষমতায় থেকে তারা নিজেদের উন্নয়ন করেছে। তাই আগামী নির্বাচন সাংবিধানিক উপায়েই অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন নিয়ে দেশের মানুষ অনেক কষ্ট করেছে। তারা আর কত কষ্ট করবে? তাই সাংবিধানিক উপায়ে নির্বাচন কাউকে না কাউকে শুরু করে যেতে হবে। আওয়ামী লীগই এটি এবার শুরু করে যাবে। অনেকে ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য সমস্যা সৃষ্টি করছে অভিযোগ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যাদের দল নেই, ভোট নেই, ভোট চাওয়ার জন্য জনগণের সামনে দাঁড়ানোর সাহস নেই। তবে তাদের ক্ষমতায় যাওয়ার খায়েস আছে। এরাই বিভিন্ন সমস্যা সৃষ্টি করছে। দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ধ্বংসের সঙ্গে জড়িত কিছু সুযোগ সন্ধানীর ব্যাপারে দেশবাসীকে সজাগ ও সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী প্রশ্ন রেখে বলেন, দেশে গণতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক ধারা অব্যাহত থাকলে একশ্রেণির মানুষের কষ্ট হয় কেন? দেশে অগণতান্ত্রিক কিছু হলে তাদের ভাগ্য ফিরে, ক্ষমতায় যাওয়ার স্বপ্ন দেখে। এরাই দেশে কিছু একটা ঘটার জন্য অপেক্ষায় বসে থাকে। এরাই দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার বিরুদ্ধে সমস্যা ও জটিলতা সৃষ্টি করতে চাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পর গত ৩৮ বছরের নির্বাচনের ইতিহাস তুলে ধরে বলেন, স্বাধীনতার পর থেকে কখনোই শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর হয়নি। একমাত্র ২০০১ সালে ৫ বছরের মেয়াদ পূর্ণ করে আওয়ামী লীগ শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর করেছে। এবারো শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর করা হবে। গত ৩৮ বছরে প্রতিটি নির্বাচনেই কোন না কোনো সমস্যা হয়েছে। অতীতের মার্শাল ল দিয়ে ক্ষমতা দখল এবং অবৈধ ক্ষমতাকে বৈধ করতে রাজনৈতিক দল গঠন ও নির্বাচন নিয়ে প্রহসনের ইতিহাস তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, বর্তমান সরকারের আমলে যে কোনো নির্বাচনে প্রার্থীদের ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে ভোট চাইতে হয়। আর আগে নির্বাচন মানেই ছিল দশটি হুন্ডা, বিশটি গুণ্ডা-নির্বাচন ঠাণ্ডা। আগে ভোটারদের ভোট কেন্দ্রে যেতে হয়নি, ‘হ্যাঁ-না’ মার্কা প্রহসনের নির্বাচন হয়েছে। ওই সময় ভোটারদের কোনো মূল্যায়ন ছিল না। আগের সরকারগুলোর সময় নির্বাচন মানেই ছিল সহিংসতা, শত শত মানুষ হত্যা। বর্তমানে আর সেই পরিবেশ নেই। অনেক কষ্ট করে আমরা জনগণের ভোটের অধিকার ও সাংবিধানিক অধিকার নিশ্চিত করেছি। এখন নির্বাচিত হতে হলে প্রার্থীদের ভোটারদের কাছে যেতে হয়। এখন জনগণ যাকে ভোট দেবে সেই নির্বাচিত হবে। জনগণই শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট দিয়ে তাদের পছন্দের প্রতিনিধি নির্বাচিত করতে পারছেন। প্রধানমন্ত্রীর সূচনা বক্তব্যের পরই তার সভাপতিত্বে তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে রুদ্ধদ্বার বৈঠক শুরু হয়। বৈঠকের শুরুতেই প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ১০টি প্রশ্ন সংবলিত একটি করে ফরম তুলে দেয়া হয় তৃণমূল নেতাদের হাতে। ওই ফরম সতর্কতার সঙ্গে পূরণের আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। সেইসঙ্গে দশটি প্রশ্নের প্রতিটিতে দশ নম্বর করে মোট একশ’ নম্বরের মধ্যে কাকে কত নম্বর দেবেন তাও দিতে বলেন প্রধানমন্ত্রী। তৃণমূল নেতাদের ফরম পূরণের মাধ্যমে ওই সাতটি জেলায় আগামী নির্বাচনে দলের সম্ভাব্য প্রার্থীদের সর্বশেষ অবস্থান, জনপ্রিয়তার ব্যারোমিটার, মন্ত্রী-এমপিদের সঙ্গে তৃণমূলের দূরত্ব, কোথায় কোথায় দলের মধ্যে অভ্যন্তরিণ কোন্দল বা বিবাদ আছে, সাংগঠনিক অবস্থা ইত্যাদি সবকিছু নিয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ জরিপের কাজ সেরে ফেলেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, তৃণমূল নেতাদের এই জরিপের মাধ্যমে গৃহীত মতামত এবং নিজ উদ্যোগে পরিচালিত বিভিন্ন জরিপের রিপোর্ট পর্যালোচনা করেই আগামী নির্বাচনে দলের প্রার্থী মনোনয়ন দেওয়া হবে। এ সময় প্রধানমন্ত্রী বিএনপিসহ অন্যান্য দলকেও গণতন্ত্রের স্বার্থে তৃণমূলের মতামত নিয়ে প্রার্থী নির্বাচনের পরামর্শ দেন। তৃণমূলের সঙ্গে বৈঠকে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের মধ্যে সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী, সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত, বেগম মতিয়া চৌধুরী, আবদুল লতিফ সিদ্দিকী, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, অধ্যাপক ড. আলাউদ্দিন আহমেদ, কাজী জাফর উল্লাহ, নূহ উল আলম লেনিন, সতীশ চন্দ্র রায়, আবুল হাসনাত আবদুল্লাহ, মাহবুব-উল-আলম হানিফসহ ওই সাতটি জেলা থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য ও মন্ত্রীরা উপস্থিত ছিলেন। উপ-দফতর সম্পাদক এ্যাডভোকেট মৃণাল কান্তি দাসের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের শুরুতেই বঙ্গবন্ধুসহ ১৫ আগস্টসহ সকল শহীদের স্মরণে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। সূচনা বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বিএনপি-জামায়াত জোট ও বর্তমান মহাজোট এই দুই সরকারের তুলনামূলক বিশ্লেষণ তুলে ধরে বলেন, আওয়ামী লীগের জন্ম এদেশের মাটি ও মানুষের মধ্যে থেকে। জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনের মধ্যে দিয়ে। আর আমাদের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির জন্ম কোথায়? বিএনপির জন্ম হচ্ছে মার্শাল ল’ দিয়ে ক্ষমতা দখল, অস্ত্রহাতে রাষ্ট্রপতি ঘোষণা করে দল গঠন। অর্থাত্ আগে ক্ষমতা দখল পরে দল গঠন- এটাই হচ্ছে বিএনপি। তাই আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসলে জনগণ কিছু পায়, শান্তি ও স্বস্তিতে থাকে। আর বিএনপি ক্ষমতায় আসলে মানুষ আতঙ্কিত হয়, তারা দেশের উন্নয়ন করে না, করে শুধু নিজেদের উন্নয়ন। তিনি বলেন, অতীতের সামরিক জান্তারা অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করে রাজনীতিকে কলুষিত করে গেছে। আমরা চাই না আর কেউ অগণতান্ত্রিকভাবে ক্ষমতায় এসে রাজনীতিকে আবারও কলুষিত করুক। তাই আমরা সংবিধান সংশোধন করে মিলিটারি ডিক্টেটরদের ক্ষমতায় আসার পথ বন্ধ করেছি। আইন অমান্য করে কেউ ক্ষমতা দখল করলে শাস্তির বিধানও রেখেছি সংবিধানে। তিনি বলেন, মার্শাল ল’ দিয়ে ক্ষমতা দখলের সময়ে দীর্ঘদিন একের পর এক ক্যু হয়েছে, ১৯টি ক্যুতে বহু মানুষের প্রাণ গেছে। তিনি বলেন, আর যাতে কেউ অবৈধভাবে ক্ষমতায় এসে জনগণের ভাগ্যে নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে না পারে সে লক্ষ্য রেখেই সংবিধান সংশোধন করেছি। দেশের জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতা আছে বলেই সংবিধান সংশোধন করে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে নিশ্চিত করেছি। এ প্রসঙ্গে গত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দুই বছরের তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, তিন মাসের জন্য ক্ষমতায় এসে তত্ত্বাবধায়ক সরকার আর ক্ষমতা থেকে নড়েই না। এক সংবিধান বিশেষজ্ঞ বিধান দিলেন, কেয়ামত পর্যন্তও নাকি তাদের সরানো যাবে না। এ অবস্থার মধ্যে ভবিষ্যতে দেশ আর যেন না পড়ে আমরা সেই ব্যবস্থাই করেছি। বিএনপি-জামায়াতের কঠোর সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ এখন প্রতিটি সূচকে এগিয়ে যাচ্ছে। আমরা সর্বক্ষেত্রেই ব্যাপক উন্নয়ন করেছি। অতীতে বঙ্গবন্ধুর খুনীদের লালন-পালন, স্বাধীনতাবিরোধী ও যুদ্ধাপরাধীদের রাজনীতি ও সামাজিকভাবে প্রতিষ্ঠিত করেছে, যারা যুদ্ধাপরাধী, খুনী, জঙ্গী ও স্বাধীনতাবিরোধীদের নিয়ে ক্ষমতায় যেতে চায়- তাদের কাছে এই গণতান্ত্রিক পরিবেশ পছন্দ নয়। প্রধানমন্ত্রী ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত, উন্নত-সমৃদ্ধশালী সোনার বাংলা হিসেবে গড়ে তোলার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে এ ব্যাপারে দেশবাসীর সহযোগিতা কামনা করেন। তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত থাকলে দেশের প্রকৃত উন্নয়ন হয়। সেজন্যই আমরা চাই দেশের গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত থাকুক, দেশের শাসনতন্ত্র অনুযায়ী সবকিছু চলুক। প্রাথমিক পর্যায় থেকে কম্পিউটার শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা হবে বাসস জানায়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সরকার প্রাথমিক পর্যায় পর্যন্ত কম্পিউটার শিক্ষা বাধ্যতামূলক করার চিন্তা-ভাবনা করছে। তিনি বলেন, ক্রমান্বয়ে দেশের প্রতিটি স্কুলে একটি কম্পিউটার ল্যাব করা হবে এবং জনগণের জন্য ইন্টারনেট সেবা সহজতর করতে ব্যান্ডউইথের ব্যয় আরো কমানো হবে। তিনি বুধবার ঢাকায় তার তেজগাঁও কার্যালয়ে ভারত সরকারের সহায়তায় মাধ্যমিক পর্যায়ে কম্পিউটার ল্যাব স্থাপন কর্মসূচির উদ্বোধনকালে এ কথা বলেন। শেখ হাসিনা বলেন, সকল সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে আইটি বিজনেস ইনকিউবেটর স্থাপন এবং আইটির ওপর গবেষণার সুযোগ সৃষ্টি করা হবে। এই প্রকল্পের আওতায় প্রত্যেক জেলায় একটি করে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে কম্পিউটার ল্যাব স্থাপিত হবে। ২০১১ সালের সেপ্টেম্বরে ভারতের প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের ঢাকা সফরকালে দু’দেশের মধ্যে এ সম্পর্কিত এক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। আইসিটি মন্ত্রী মোস্তফা ফারুক মোহাম্মদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ ও ভারতীয় হাইকমিশনার পঙ্কজ শরন। এতে স্বাগত বক্তব্য দেন আইসিটি সচিব নজরুল ইসলাম খান। অনুষ্ঠানে ডেমরার শামসুল হক খান স্কুল অ্যান্ড কলেজের দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্রী জান্নাতুল মাওয়া চৌধুরী শিক্ষা ক্ষেত্রে আইসিটি ব্যবহারে তার অনুভূতি ব্যক্ত করেন। এছাড়া এতে বরিশালের জেলা প্রশাসক শহীদুল আলম ও শিক্ষক শঙ্কর কুমার সাহা বক্তৃতা করেন। শেখ হাসিনা এই প্রকল্পে সহায়তার জন্য বন্ধুদেশ ভারতের সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, ইতোমধ্যে প্রায় ৪ হাজার ল্যাব বিভিন্ন বিদ্যালয়ে স্থাপিত হয়েছে। ২০২১ সালের মধ্যে ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে তার সরকারের অঙ্গীকারের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এলক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা যোগান দিতে একটি পৃথক মন্ত্রণালয় গঠন করা হয়েছে। এ কাজে তার পুত্র ও আইটি বিশেষজ্ঞ সজীব ওয়াজেদ জয় সরকারকে সহায়তা করেছেন বলে তিনি জানান। ভারতের হাইকমিশনার তার দেশের আর্থিক সহায়তায় ৬৪ জেলায় কম্পিউটার ল্যাব স্থাপনকে দুদেশের মধ্যে সম্পর্কোন্নয়নে মাইলফলক হিসাবে অভিহিত করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশে শিক্ষা কর্মসূচি সার্বজনীন স্বীকৃতি পেয়েছে এবং ডিজিটাল বাংলাদেশ ভিশন জনগণের মাঝে নতুন আশা জাগিয়ে তুলেছে।