রামুর নবনির্মিত বৌদ্ধ বিহারে পর্যটকদের উপচেপড়া ভিড়

আপডেট : ০৪ সেপ্টেম্বর ২০১৩, ২৩:০০
প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের একদিন পর কক্সবাজারের রামুতে নবনির্মিত ১২টি বৌদ্ধ বিহারে বিপুল উত্সাহ-উদ্দীপনায় ভাবগম্ভীর পরিবেশে ধর্মীয় উত্সব পালিত হয়েছে। গতকাল বুধবার রামু কেন্দ্রীয় সীমার বিহারে পবিত্র বর্ষাবাসের অমাবশ্যাতিথি পালন উপলক্ষে দেশ ও জাতির কল্যাণে বিশেষ প্রার্থনা সভার আয়োজন করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ভিক্ষু মহাসভার সাবেক সভাপতি ও কেন্দ্রীয় সীমা বিহারের অধ্যক্ষ পন্ডিত সত্যপ্রিয় মহাথের। এতে ধর্মদেশনা করেন, সীমা বিহারের উপাধ্যক্ষ শীলপ্রিয় ভিক্ষু, আবাসিক প্রধান বিশিষ্ট লেখক প্রজ্ঞানন্দ ভিক্ষু। বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যে ছিল বুদ্ধ পূজা, অষ্টশীল প্রার্থনা, ভিক্ষুদের পিন্ডদান, প্রদীপ পূজা, ধর্ম সভা। অনুরূপভাবে উত্তর মিঠাছড়ির বিমুক্তি বিদর্শন ভাবনা কেন্দ্র, শ্রীকুলের মৈত্রী বৌদ্ধ বিহার, উঃ মংরি বৌদ্ধ মন্দির (লাল চিং), শাসনধ্বজা মহাজ্যোতি পাল সীমা (সাদা চিং) বৌদ্ধ বিহার, অপর্ণচরণ বৌদ্ধ বিহার, উসাই-ছেন (রাখাইন) রামু বড় ক্যাং, জাদিপাড়ার আর্যবংশ বৌদ্ধ বিহার, উখিয়ারঘোনার জেতবন বৌদ্ধ বিহার, উত্তর মিঠাছড়ির বন বৌদ্ধ বিহার, চাকমারকুলের অজান্তা বৌদ্ধ বিহার, ফতেখাঁরকুলের বিবেকারাম বৌদ্ধ বিহার, হাজারীকুল বৌদ্ধ বিহারে পৃথক পৃথকভাবে ধর্ম সভার আয়োজন করা হয়। রামু মেরংলোয়া আচারিয়া পাসসানারাম বিহার গুরুর আসনে বর্ষাবাসতিথি পালন উপলক্ষে ভিক্ষু ক্ষান্তি পাঞঞার উদ্যোগে হাজার প্রদীপ প্রজ্ব্বলন ও উপোসথ পালন করা হয়। এদিকে গত মঙ্গলবার মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কেন্দ্রীয় সীমা বিহারসহ ১২টি বৌদ্ধ বিহার উদ্বোধনের পর পর বিহারগুলোতে ধর্মবর্ণ নির্বিশেষে পর্যটকদের উপচেপড়া ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে।