সৈয়দপুরে পার্চিং ও আলোর ফাঁদ পদ্ধতি জনপ্রিয় হয়ে উঠছে

আপডেট : ০৫ সেপ্টেম্বর ২০১৩, ২১:২২
নীলফামারীর সৈয়দপুরে কৃষকরা ফসলের ক্ষতিকর পোকা নিধনে ক্ষেতে বিষের ব্যবহার কমিয়ে দিয়েছে। চলতি মৌসুমের রোপা আমন ধানের ক্ষতিকর পোকা নিধনে বিষের বিকল্প হিসাবে কৃষক ক্ষেতে পার্চিং পদ্ধতি হিসাবে জীবন্ত ধঞ্চেগাছ ডালপালা ও আলোর ফাঁদ পদ্ধতি ব্যবহার করছে। ক্ষেতে পুঁতে রাখা ধঞ্চে গাছ বা ডালে বসে পাখিরা বিভিন্ন পোকা খেয়ে ফেলে তেমনিভাবে আলোক ফাঁদে মারা পড়ে। পোকা নিধনে বিষের বিকল্প হিসাবে দু’ধরনের পার্চিং এবং আলোক ফাঁদ পদ্ধতি ব্যবহারের ফলে জমি নিরাপদ থাকছে। স্থানীয় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কর্তৃক এ ধরনের উদ্যোগ গ্রহণের পর সফলতা আসায় ধান ক্ষেতে ওই সব পদ্ধতি ব্যবহারে ঝুঁকে পড়েছে কৃষকরা। ধান ক্ষেতে শক্র পোকা যেমন কারেন্ট, মাজরা, গান্ধি, চুঙ্গি পোকাসহ বাদামী ঘাস ফড়িং নিধনে এখানকার চাষাবাদকৃত আবাদি জমিগুলোর বেশিরভাগ ওই পদ্ধতির আওতায় আনা হয়েছে বলে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হোমায়রা মন্ডল জানান। তিনি জানান, কৃষকদের সচেতন করে এবং আইপিএম স্কুলের মাধ্যমে পার্চিং ও আলোক ফাঁদ পদ্ধতি ব্যবহার করার ফলে কৃষকদের উত্পাদন খরচ অনেকাংশে কমে গেছে।