অ্যাশেজ ও টি-টোয়েন্টি সিরিজ শেষে এবার ওয়ানডের লড়াইয়ে নামছে স্বাগতিক ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়া। পাঁচ ম্যাচ সিরিজের প্রথমটিতে আগামীকাল মুখোমুখি হবে তারা। লিডসে বাংলাদেশ সময় বেলা সোয়া তিনটায় শুরু হবে ম্যাচটি।
পাঁচ ম্যাচের অ্যাশেজ সিরিজ দিয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দেশের মাটিতে লড়াই শুরু করে ইংল্যান্ড। ব্যাটিং-বোলিং-ফিল্ডিং তিন বিভাগেই কর্তৃত্ব দেখিয়ে ৩-০ ব্যবধানে সিরিজ জিতে নেয় স্বাগতিকরা। তবে দুই ম্যাচের টুয়েন্টি টুয়েন্টি সিরিজে জিততে পারেনি কেউই। অ্যারন ফিঞ্চের দুর্দান্ত এক সেঞ্চুরিতে অজিরা প্রথম ম্যাচটি জিতলেও দ্বিতীয় ম্যাচে দারুণভাবে ফিরে আসে স্বাগতিকরা।
এদিকে নিয়মিত অধিনায়ক অ্যালিস্টার কুককে বিশ্রাম দিয়ে ইংল্যান্ড দলের নেতৃত্ব দেয়া হয়েছে ইয়োইন মরগানের হাতে। সর্বশেষ হওয়া আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে দলের অধিনায়ক ছিলেন অ্যালিস্টার কুক। এছাড়াও বিশ্রামে রাখা হয়েছে ব্যাটসম্যান ইয়ান বেল, অফ-স্পিনার গ্রায়েম সোয়ান, পেসার জেমস এন্ডারসন ও স্টুয়ার্ট ব্রডকে। অভিজ্ঞদের মধ্যে দলে আছেন মরগান, জনাথন ট্রট, কেভিন পিটারসেন, জো রুট ও স্টিভেন ফিন। এদের সাথে লড়াইয়ে শামিল হবেন তরুণ মাইকেল কারবেরি, বয়েড রানকিন, জেমি ওভারটন ও ক্রিস জর্ডান।
তাই অনেকটা আনকোরা দল নিয়েই মাঠে নামছেন মরগান। কিন্তু এসব নিয়ে ভাবতে মোটেও রাজি নন তিনি, ‘দলটি কেমন তা নিয়ে ভাবতে রাজি নই। দলে যারা আছে তারা সকলেই পরীক্ষিত। কাউন্টিতে খেলে নিজেদের যোগ্যতা দিয়ে দলে এসেছে তারা। তাই নতুনদের নিয়ে ভাবার কিছু নেই। আমরা প্রথম ওয়ানডের দিকে তাকিয়ে আছি। সিরিজের শুরুটা ভালো করতে চাই।’
অন্যদিকে চোট সমস্যা কাটিয়ে এই ম্যাচ দিয়েই আবার নেতৃত্বে ফিরছেন মাইকেল ক্লার্ক। সর্বশেষ টুর্নামেন্টে আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে দলের দায়িত্ব পালন করেছিলেন জর্জ বেইলি। তবে এই সিরিজে বেইলি খেলবেন শুধুই ব্যাটসম্যান হিসেবে।
তবে ওয়ানডে সিরিজে দলের সাথে থাকছেন না ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নার। তার পরিবর্তে দলে সুযোগ পেয়েই নিজের জাত চিনিয়েছেন এ্যারন ফিঞ্চ। এছাড়া শন মার্শ, শেন ওয়াটসন, গ্লে¬ন ম্যাক্সওয়েলরা তো আছেনই। ও বেইলির ভালো খেলার আশা করবে তারা। তাই ওয়ানডে সিরিজ জিতেই এবারের ইংল্যান্ড সফর শেষ করতে চাইছে অস্ট্রেলিয়া। তেমনটাই জানালেন দলের অধিনায়ক ক্লার্ক, ‘এ্যাশেজ সিরিজের স্মৃতি এখনো পুরনো হয়নি। তবে আমরা ঐ ফল নিয়ে খুব বেশি মাথা ঘামাতে চাই না। তাই ওয়ানডে সিরিজ জিতেই এবারের ইংল্যান্ড সফর শেষ করতে চাই। তাতে কিছুটা হলেও সান্ত্বনা পাওয়া যাবে আশা করি। আর দলের সবাই সিরিজ জয়ের জন্যই মুখিয়ে আছে।’ এখন পর্যন্ত ১১৮ বার পরস্পরের মুখোমুখি হয়ে ৪৭ ম্যাচে ইংল্যান্ড এবং ৬৭ বার জয়ের আনন্দ করেছে অস্ট্রেলিয়া। আর ২টি ম্যাচ টাই ও ২টি ম্যাচ ড্র হয়। সর্বশেষ এই দু’দল মুখোমুখি হয়েছিল সপ্তম ও শেষ আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে। সেই ম্যাচে ৪৮ রানে জয় পেয়েছিল ইংল্যান্ড। আর ইংল্যান্ডের মাটিতে সর্বশেষ ২০১০ সালে জয়ের স্বাদ পেয়েছিল অস্ট্রেলিয়া। বাসস
