জেলার মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতালে ডাক্তারের অবহেলা ও ভুল চিকিত্সায় করটিয়া সরকারি সাদত বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের অনার্স (ইতিহাস) দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী লিপি আক্তারের (২২) মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে বলে গতকাল বৃহস্পতিবার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনার প্রতিবাদে নিহত ছাত্রীর আত্মীয়-স্বজন এবং কলেজের শিক্ষার্থীরা হাসপাতালের সামনে বিক্ষোভ করলে কর্তৃপক্ষ হাসপাতালে পুলিশ মোতায়েন করে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, মির্জাপুর উপজেলার গোড়াই ইউনিয়নের দেওহাটা গ্রামের আমির আলীর মেয়ে লিপি আক্তার গত শুক্রবার রাতে পেটের ব্যথা নিয়ে কুমুদিনী হাসপাতালে সার্জারি বিভাগে ভর্তি হয়। এরপর হাসপাতালের ডাক্তার ও নার্সদের অবহেলা এবং অব্যবস্থাপনায় তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে। এপেনডিসাইড হয়েছে ভেবে সার্জিকাল বিভাগের ডা. বর্ষণ ও তার সহযোগীরা গত মঙ্গলবার তার অপারেশন করে। অপারেশনের পর শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হলে তাকে আইসিইউতে রাখা অবস্থায় গতকাল সকালে লিপি মারা যান। নিহত লিপির চাচা শওকত হোসেন ও চাচাতো ভাই এম এ জামান এ ঘটনা গোপন রাখা হয়েছিল বলে অভিযোগ করেন।
হাসপাতালের পরিচালক ডা. দুলাল চন্দ্র পোদ্দার, উইমেন্স মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. এম এ জামান ও হাসপাতালের মেডিক্যাল সুপার ডা. প্রদীপ কুমার রায় সাংবাদিকদের বলেন, লিপিকে অপারেশন করার পর এ্যাজমা সমস্যাজনিত কারণে হার্ট এ্যাটাক করে আইসিইউতে মারা গেছে। ডাক্তারের ভুল চিকিত্সায় তার মৃত্যু হয়নি। এ ঘটনায় কোন মামলা হয়নি বলে পুলিশ এবং লিপির পরিবার জানিয়েছে।
