সরাইলে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে এগার মেম্বারের অনাস্থা

আপডেট : ০৬ সেপ্টেম্বর ২০১৩, ২১:১৭
ক্ষমতার অপব্যবহার, কর্তব্যে অবহেলা, দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি, অর্থ আত্মসাত্ ও দুঃশাসনের অভিযোগে ব্রা?হ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার ৫ নম্বর পানিশ্বর ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ নূরুল হকের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনয়ন করেছেন পরিষদের ১১ জন সদস্য। গত বুধবার বিকালে তারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দপ্তরে সংরক্ষিত মহিলা আসনের তিন ইউপি সদস্যসহ ১১ সদস্য স্বাক্ষরিত অনাস্থা প্রস্তাবটি জমা দিয়েছেন। স্থানীয় ও লিখিত ওই অনাস্থা প্রস্তাব সূত্রে জানা যায়, চেয়ারম্যানের দায়িত্ব গ্রহণ করার পর থেকেই তিনি অনিয়মে জড়িয়ে পড়েন। একের পর এক দুর্নীতি, অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি ও স্বেচ্ছাচারিতায় অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন পরিষদের সদস্যসহ সাধারণ লোকজন। দু’বছরের অধিক সময় ধরে মাসিক সভা না করে ভুয়া প্রতিবেদন জমা দেয়ার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। স্থায়ীভাবে পরিবার নিয়ে উপজেলার কালিকচ্ছে বসবাসের কারণে তার সেবা পাচ্ছে না জনগণ। ইউনিয়ন তথ্য সেবা কেন্দ্রের কোন যন্ত্রপাতি পরিষদে নেই। এসব ব্যবহার করছেন চেয়ারম্যানের স্বজনরা। স্থানীয় বিভিন্ন চাতাল কল ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান থেকে প্রতিবছর বিশ লক্ষাধিক টাকা উত্তোলন করে সরকারি কোষাগারে জমা দেন না। শুধু কাগজে-কলমে প্রকল্প দেখিয়ে স্থানীয় সরকার উন্নয়ন সহায়তা প্রকল্প (এলজিএসপি) ও ভূমি হস্তান্তর করের এক শতাংশ আয়ের লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাতেরও অভিযোগ রয়েছে। এ প্রসঙ্গে চেয়ারম্যান মোঃ নূরুল হক বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। রাগের মাথায় তারা এ কাজটি করেছে। দু’ একদিনের মধ্যে বসে আমরা বিষয়টির নিষ্পত্তি করব।