অ্যান্ডি মারের বিদায়ের দিনে প্রত্যাশিত জয়ে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছেন টুর্নামেন্টের শীর্ষ বাছাই নোভাক জোকোভিচ। শেষ আটের লড়াইয়ে এই সার্বিয়ান গতকাল রাশিয়ার মিখাইল ইয়ুঝনিকে হারিয়েছেন ৬-৩, ৬-২, ৩-৬, ৬-০ গেমে। সেখানে তার প্রতিপক্ষ মারের ‘হন্তারক’ স্তানিস্লাস ওয়াওরিঙ্কা।
ফ্লাশিং মিডোতে টানা সপ্তম সেমিফাইনাল নিশ্চিত করার পর জোকোভিচের উচ্ছ্বাসটাও ছিল দেখার মতো। বুনো উল্লাসে ফেটে পরে একটানে খুলে ফেলেন গায়ের টি-শার্টটিও। সংবাদ সম্মেলনে অবশ্য বরাবরের মতোই স্মিতহাস্যই ছিলেন, ‘অবশ্যই নিজেকে নিয়ে আমি গর্বিত। আমি সবসময়ই গ্র্যান্ডস্ল্যামগুলোতে আমার সেরা খেলাটাই খেলতে চাই।’
অন্যদিকে প্রথমবারের মতো কোন গ্র্যান্ডস্ল্যামের সেমিফাইনালে পৌঁছানো ওয়াওরিঙ্কার খুশি যেন আর বাঁধ মানছিল না, ‘অদ্ভুত এক অনুভূতি। আমি আসলেই খুশি। তাকে (মারে) তিন সেটেই হারাতে পারা মানে হচ্ছে ম্যাচে আমি খুবই ভালো করেছি।’
তবে ফাইনালে পৌঁছার লড়াইয়ে এই সুইসের জন্য কঠিন এক চ্যালেঞ্জই অপেক্ষা করছে। র্যাঙ্কিং কিংবা বাছাই তো বটেই জোকোভিচের বিরুদ্ধে তার অতীত লড়াইয়ের পরিসংখ্যানও বলছে সে কথাই। এখন পর্যন্ত ১৪বার পরস্পরের মুখোমুখি হয়ে সুইজারল্যান্ডের দুই নম্বর তারকাটি জয় পেয়েছেন মাত্র দুবার।
তবে প্রতিপক্ষের প্রতি যথেষ্ট শ্রদ্ধাই ঝরলো জোকোভিচের কণ্ঠে, ‘এটা খুবই কঠিন একটা ম্যাচ হতে যাচ্ছে। আমার মনে হয় এখানে কোন পরিষ্কার ফেভারিট নেই। কেন সে বিশ্ব র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ দশে আছে তার প্রমাণ সে ইতোমধ্যেই দিয়েছে। তবে হার্ডকোর্টে আমিও ছন্দে আছি। সুতরাং আত্মবিশ্বাসেও কোন কমতি নেই আমার।’
