মুসলিম ব্রাদারহুডকে নিষিদ্ধ করার খবর মিথ্যা :মিসর

আপডেট : ০৬ সেপ্টেম্বর ২০১৩, ২২:৫৩
মুসলিম ব্রাদারহুডকে নিষিদ্ধ করা হচ্ছে, দৈনিক আল আকবরে প্রকাশিত এমন একটি সংবাদ অস্বীকার করেছে মিসরীয় সরকার। কয়েকদিনের মধ্যে মুসলিম ব্রাদারহুডের এনজিও রেজিস্ট্রেশন বাতিল করা হচ্ছে বলে দেশটির সামাজিক সংহতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র হানি মাহান্নার উদ্ধৃতি দিয়ে গতকাল শুক্রবার জানিয়েছিল আল আকবর। কিন্তু এর কয়েক ঘন্টার মধ্যেই দেশটির প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে শেরিফ শাবকি বিবিসিকে বলেন, মন্ত্রী এমন কোনো সিদ্ধান্তের ঘোষণা দেননি। ১৯২৮ সালে প্রতিষ্ঠিত ইসলামপন্থী সংগঠন মুসলিম ব্রাদারহুডকে ১৯৫৪ সালে নিষিদ্ধ করেছিল মিসরের তত্কালীন সেনা সরকার। তারপর থেকে ২০১১ সালে দেশটির সাবেক সেনা শাসক হোসনি মোবারকের পতনের আগ পর্যন্ত নিষিদ্ধ ছিল মুসলিম ব্রাদারহুড। মোবারকের পতনের পর প্রকাশ্যে কার্যক্রম শুরু করে প্রাদারহুড। কিন্তু ব্রাদারহুডের আইনি বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে বিরোধীরা আদালতে মামলা করার পর মার্চে একটি বেসরকারি সংস্থা (এনজিও) হিসেবে নিবন্ধিত হয় সংগঠনটি। ফ্রিডম অ্যান্ড জাস্টিস পার্টি নামে ব্রাদারহুডের নিবন্ধিত একটি রাজনৈতিক শাখা আছে। মোবারকরে পতনের পর ২০১১ সালের জুনে রাজনৈতিক দল হিসেবে এটি নিবন্ধিত হয়। এই পার্টির প্রার্থী হিসেবে দেশের ইতিহাসে প্রথম গণতান্ত্রিক নির্বাচনে বিজয়ী হন ব্রাদারহুডের অন্যতম ব্যক্তিত্ব মোহাম্মদ মুরসি। কিন্তু এক বছর ক্ষমতায় থাকার পর পর কয়েকদিন বিক্ষোভ ও রক্তপাতের সূত্র ধরে ৩ জুলাই তাকে ক্ষমতাচ্যুত করে সেনাবাহিনী।