সীমান্তে হত্যা কোনভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এটা রোধ করতে দুই দেশেরই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ। গতকাল রাজধানীর একটি হোটেলে ‘শিশু আইন ২০১৩’ শীর্ষক এক কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন। এই রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ থেকে কোন পদক্ষেপ নেয়া হবে কিনা জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, এটা আইন মন্ত্রণালয়ের বিষয় নয়। বিষয়টি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে।
আইনমন্ত্রী বলেন, সীমান্তে ফেলানী হত্যা মামলায় ভারতের এক আদালত আসামি বিএসএফ সদস্যকে খালাস দিয়েছে। এর বিরুদ্ধে বিধান থাকলে উচ্চ আদালতে যাওয়ার ব্যবস্থা করা উচিত। ফেলানীর আত্মীয়-স্বজনের আশা ছিল এই হত্যাকাণ্ডের ন্যায়বিচার হবে। কিন্তু আমরা জেনেছি ফেলানীর বাবা এ রায়ে সংক্ষুব্ধ হয়েছেন।
এর আগে আইনমন্ত্রী কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় বলেন, সমাজে মাদক ও সন্ত্রাস অনেক গুণ বেড়ে গেছে। মাদকের কু—প্রভাব থেকে সমাজকে রক্ষা করতে হলে প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মাদককে না বলা এবং সন্ত্রাসকে ঘৃণা করার বিষয়ে শিক্ষা ও সচেতনতা সৃষ্টির উদ্যোগ নিতে হবে। তিনি বলেন, ‘মাদক থেকে শিশুদের দূরে না রাখতে পারলে সমাজ এগোবে না। মাদকের ভয়াবহতা কতটা বেড়েছে তা ঐশির ঘটনায় প্রতিয়মান হয়।’
কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন আইন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ও প্রকল্প পরিচালক নাসরিন বেগম। প্রবন্ধে উল্লেখ করা হয়, জাতিসংঘ শিশু অধিকার সনদ বাস্তবায়নে বিদ্যমান শিশু আইন (শিশু আইন ১৯৭৪) রহিতক্রমে একটি নতুন আইন ‘শিশু আইন ২০১৩’ প্রণয়ন করা হয়েছে।
আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. শহিদুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো বক্তৃতা করেন আইন প্রতিমন্ত্রী এডভোকেট কামরুল ইসলাম ও ইউনিসেফ-এর শিশু সুরক্ষা বিভাগের প্রধান রোজ অ্যানি পাপাভেরো।
