ত রু ণী ক থা ........................

‘কারো জন্যে কাজ করার আনন্দের সাথে অন্য কোন আনন্দের তুলনা হয় না’

আপডেট : ০৮ সেপ্টেম্বর ২০১৩, ১৯:৫৯
ছোটবেলায় খুব ভালো গাইতে পারে লায়লার এমন একটা পরিচয় বন্ধু মহলে ছিল। তখন স্বপ্নও দেখতো বড় হয়ে গানের শিল্পী হবে। এরপর নাচেরও বেশ প্রভাব এসেছিল। সময় সুযোগ পেলেই তা তা থই থই। তবে বড় হওয়ার সাথে সাথে এই ইচ্ছেগুলোতে ভাটা পড়ে। মানুষের দুর্দশা, কষ্ট দেখে এক সময় ইচ্ছে জাগে রাজনীতি করার। কিন্তু শেষে রাজনৈতিক পরিবেশ ভালো নয় দেখে মন আর সায় দেয়নি। এর মধ্যে বন্ধুরা মিলে প্রতিষ্ঠা করে শিশুদের সচেতনতামূলক সংগঠন বিহঙ্গ। এই সংগঠনের সুবাদে তার চেনাজানা হয় বেশকিছু শিশু প্রতিষ্ঠান ও অবহেলিত শিশু জনপদের সাথে। লায়লার ভবিষ্যত্ স্বপ্নটা তখন এদের ঘিরেই তৈরি হয়। তার মতে, মন থেকে কারো জন্যে কাজ করার আনন্দের সাথে অন্য কিছুর আনন্দ তুলনা করা যায় না। শিশুদের সচেতনতা, মানবিক মূল্যবোধ ও যোগ্য নাগরিক হতে তারা হাতে নেয় বেশকিছু প্রকল্প। যার সফলতার পথ ধরে লায়লা ২০১২ সালে (আইএসবি) ইন্টারন্যাশনাল স্টাডি ভিজিট থেকে মিসর ঘুরে আসে। এটা তার কাজের ইচ্ছাকে অনেক বেশি অনুপ্রাণিত করেছে। এখন শিশুদের পাশাপাশি তরুণদের মেধা মনন ও এগিয়ে যাওয়া নিয়ে কাজ করছে লায়লা। তার মতে, তরুণরাই পারে একটি সমাজকে এগিয়ে নিতে। সমাজের ভুলগুলো, পিছিয়ে পড়া ও অন্যায়ের পরিবর্তন ঘটাতে। লায়লা স্বপ্ন দেখে একদিন এদেশের শিশুরা অর্থ আর পারিবারিক অসচেতনতার জন্যে শিক্ষা বঞ্চিত হবে না। আমাদের তরুণরা সমাজ বিনির্মাণে মুক্ত মনের মানুষ হয়ে এগিয়ে আসবে। সমাজের পরিবর্তন ঘটাবে। আমরা সমৃদ্ধ ও আত্মনির্ভরশীল জাতি হবো।