সিরাজগঞ্জ জেলার পূর্ব ও টাঙ্গাইল জেলার পশ্চিম পাশে যমুনা নদীর ওপর রয়েছে বঙ্গবন্ধু সেতু। সেতুটি বাঁকা হওয়ায় যমুনার পূর্বপাড়ের টাঙ্গাইলের ভুয়াপুর, নাগরপুর, সিরাজগঞ্জের চৌহালী ও মানিকগঞ্জের দৌলতপুর, শিবালয় উপজেলা প্রতি বছরই নদী ভাঙনের মুখে পড়ছে। নদী ভাঙনের ফলে প্রতি বছর এসব এলাকার বসতবাড়ি, আবাদি জমি, রাস্তাঘাট ও সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, জনপদ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। টাঙ্গাইলের ভুয়াপুর, নাগরপুর, সিরাজগঞ্জের চৌহালী ও মানিকগঞ্জের দৌলতপুর, শিবালয় উপজেলা ঢাকা থেকে সর্বোচ্চ ১০০ থেকে ১২০ কিলোমিটার দূরে।
বঙ্গবন্ধু সেতুর পূর্বপাড় অর্থাত্ ভুয়াপুর থেকে শুরু করে মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলার আরিচা ঘাট পর্যন্ত বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা হলে যমুনার পূর্ব পাড়ের এসব এলাকাকে নদী ভাঙনের হাত থেকে রক্ষার পাশাপাশি এসব এলাকাকে দ্রুত শহরায়ন করা যাবে। কলকারখানা স্থাপনের পাশাপাশি যমুনার পূর্বপাড়ে সেতুর পাশে আরো একটি নদীবন্দরও স্থাপন করা যাবে। এতে স্থাপিত শিল্পকারখানার মালামাল সহজেই নদীপথে, সড়কপথে দেশের বিভিন্ন এলাকায় পণ্য নেওয়া যাবে।
বেড়িবাঁধ নির্মাণ করে যমুনার পূর্বপাড়কে ঢাকা শহরের সঙ্গে সংযুক্ত করলে ঢাকা শহরকে যানজটমুক্ত করা সম্ভব হবে। যমুনা নদীর পাড়ের এসব এলাকায় পর্যটনকেন্দ্রও গড়ে তোলা যেতে পারে। আর তাই বঙ্গবন্ধু সেতু থেকে আরিচা ঘাট পর্যন্ত বেড়িবাঁধ নির্মাণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি।
মো. সোলায়মান হোসেন,
গ্রাম:পাথরাইল, চৌহালী, সিরাজগঞ্জ
