চাঁদপুর সদর উপজেলার ইব্রাহীমপুর ও সাখুয়া ইউনিয়নের মেঘনা উপকূলস্থ ৫৬৭৬ মিটার বাঁধের কাজ চলমান রয়েছে। এর মধ্যে গত বৃহস্পতিবার থেকে সাখুয়া ইউনিয়নের লক্ষ্মীপুর গ্রামের মৃধাবাড়ী এলাকায় পানির তীব্র সে াতে হঠাত্ ৩০মিটার জুড়ে সিসি ব্লক ধস দেখা দেয়। সাথে সাথে পার্শ্ববর্তী এলাকাজুড়ে বহু ব্লক নদীতে তলিয়ে গেছে। তাত্ক্ষণিক এলাকার লোকজন পানি উন্নয়নবোর্ড কর্তৃপক্ষকে জানালে তারা ব্যবস্থা গ্রহণ করে। শুক্রবার সরেজমিন দেখা যায়, মৃধাবাড়ী এলাকায় ধসে যাওয়া এলাকায় ২৮০ কেজি ওজনের বালুভর্তি বস্তা ফেলে বাঁধ রক্ষার চেষ্টা চলছে। এলাকার বাসিন্দা জাকির হোসেন মৃধা জানায়, সাখুয়া আশ্রয়ণ প্রকল্প থেকে হরিণা ফেরিঘাট পর্যন্ত বাঁধের কাজ চলমান রয়েছে। কিছু জায়গায় ধস নেমেছে এবং ব্লক বসে গেছে। তবে আমরা কর্তৃপক্ষকে জানানোর কারণে তারা তাত্ক্ষণিক বালুভর্তি বস্তা ফেলে রক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। পাউবোর এসও কাজী শাহাদাত জানালেন ভিন্ন কথা। তিনি বলেন, নদীর সে াত ছাড়াও এ এলাকায় প্রতিদিন ১শ’ থেকে দেড়শ’ বলগেট নোঙ্গর করে রাখে। এতে করে জিও ব্যাগগুলো নোঙ্গরের সাথে উঠে আসে। এ কারণেও ধস দেখা দিতে পারে। মৃধাবাড়ীর একাধিক ব্যক্তি জানায়, বাঁধ এলাকায় বালুভর্তি বলগেট নোঙ্গর ও পাড়ের সাথে না বেঁধে রাখার জন্য মৌখিকভাবে বলা হয়। কিন্তু বলগেটে থাকা লোকজন কারো কথা শুনে না। বিশাল অর্থ ব্যয়ে প্রকল্পটি সঠিক তদারকি ও সতর্কতা অবলম্বন না করা হলে, চলতি বর্ষায় যে কোন সময় আবারও ধস নামার আশঙ্কা রয়েছে। এলাকাবাসী বাড়ীঘর ও সিআইপি বাঁধ রক্ষায় কর্তৃপক্ষের সঠিক তদারকি কামনা করছেন। চাঁদপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী জীবন কৃষ্ণ এ বিষয়ে জানান, লক্ষ্মীপুর বাঁধ প্রকল্প এলাকায় সিসি ব্লক দেবে যাওয়ার সংবাদ জানা মাত্রই কাজ শুরু হয়েছে। সে াতের কারণে এটা হয়েছে।
