সেই প্রাচীনকাল থেকে নারীর সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে গয়না ব্যবহার হয়ে আসছে। সোনার গয়না যেমন নারীদের পছন্দ, তেমনি রুপার গয়নারও কদর রয়েছে তাদের কাছে। সময়ের বিবর্তনে সোনার গয়নার দাম বাড়ায় এই প্রজন্মের মেয়েদের কাছে রুপার গয়নার চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। অল্প দামেই বিভিন্ন জুয়েলারি দোকানে মেলে নান্দনিক রুপার গয়না। নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সবাই অলঙ্কার পড়ত। তখন অবশ্য সোনা, রুপা, মণিমুক্তার অলঙ্কারের প্রচলন ছিল না। অলঙ্কার হিসেবে ব্যবহার হতো ফুল, লতাপাতা, গাছের ছাল-বাকল, শেকড়, জন্তু-জানোয়ারের হাড়, শিং, পাখির পালক ইত্যাদি। আর এখন তো এসব দিয়ে নানারকম সুন্দর অলঙ্কার তৈরি হচ্ছে। আর এসব জিনিস সবার কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য রয়েছে শো-রুম। যেখানে ক্রেতারা এসে পেয়ে যাবেন তাদের পছন্দের জিনিসটি। রাজধানীর বুকে এমন কিছু শো-রুমের ভিড়ে নিজের মতো করে জায়গা করে নিয়েছে ‘গ্রেটিংস’। তবে শুধু গয়নাই নয়, গ্রেটিংস সবার জন্য দিচ্ছে নানা অনুষঙ্গ। রংবেরঙের জুতা, জামা কাপড় আর ব্যাগের পসরা সাজিয়ে বসেছে গ্রিটিংস।
১৯৯৭ সালে দুই ভাই-বোন, ফয়সাল ইসলাম ও শারমিন সুলতানার হাত ধরে পথচলা শুরু করে গ্রিটিংস। রাজধানীর পিংক সিটি থেকে শুরু করা শো-রুমটি আজ ৫টা আউটলেটে বিস্তৃত হয়েছে।
৫টার মধ্যে ৩টা গ্রিটিংস নামে এবং বাকি দুটা থাই গ্যালারি নামে পরিচিত। গুলশান ২-এর পিংক সিটি, শাহজাদপুরে কনফিডেন্স টাওয়ার, উত্তরার আরএকে টাওয়ারে দুটো এবং ধানমন্ডির শোরুমটি সাতমসজিদ রোড এমপায়ার প্লাজার নিচতলায় অবস্থিত। ধানমন্ডির শোরুমটির একপাশে সাজানো রয়েছে নানা রঙের এবং ডিজাইনের জুতো। জুতোর কালেকশন থেকে একটু পাশে সরে এলেই দেখা যাবে ব্যাগের সমাহার। ছোট পার্স থেকে শুরু করে পার্টি ব্যাগও রয়েছে সেখানে। তবে ব্যাগগুলোই নচর কাড়বে বেশি। এরপর রয়েছে নানা ডিজাইনের সানগ্লাস এবং বাহারি স্যান্ডেল। কাউন্টারের একপাশের র্যাকটি সাজানো হয়েছে অর্নামেন্টস দিয়ে। চোখ জুড়ানো ডিজাইনগুলো থেকে সরে এলেই পাওয়া যাবে তাদের নতুন সংযোজন, ওয়েস্টার্ন আউটফিট। ওয়েস্টার্ন এই ড্রেসগুলোর প্রতিটির রয়েছে কিছু না কিছু নতুনত্ব। এসবের পাশাপাশি ক্রেতাদের কথা ভেবে রাখা হয়েছে দাম। ক্রেতাদের নাগালে থাকা এমনসব অনুষঙ্গ দিয়েই সাজানো হয়েছে বাকি আউটলেটগুলোও।
