ফলবোর্ড গঠন করা দরকার

আপডেট : ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৩, ২০:৫৫
বিভিন্ন রকমের ফল পাওয়া যায় দেশে— আম, জাম, লিচু, আনারস, কাঁঠাল বরই, আমড়া, তরমুজ, লটকন ইত্যাদি। আজকাল মুনাফা ভালো পাওয়াতে বাণিজ্যিকভিত্তিতে চাষ হচ্ছে এসব। যদিও এসব ফল এক মৌসুমে পাওয়া যায়। কিন্তু মুনাফা ভালো হওয়ায় অন্যান্য ফসল উত্পাদন কমিয়ে ফল চাষের দিকে ঝুঁকে পড়ছে অনেকে। তবে সমস্যা হচ্ছে এসব উত্পাদিত ফল দীর্ঘদিন সংরক্ষণ করতে না পারা। এতে অনেক ফল নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। অন্যদিকে একসময়ে বেশি ওঠাতে দামও তুলনামূলক কম পাওয়া যাচ্ছে। ফলে এসব ফল সংরক্ষণের জন্য উত্পাদনকারী বা ব্যবসায়ীরা ফরমালিন জাতীয় বিষ স্প্রে করছে। এছাড়া রঙিন করতে, আকারে বড় করতে, স্বাদ বাড়াতেও স্প্রে করা হচ্ছে নানা রকমের বিষাক্ত ওষুধ। দেখা যাচ্ছে উভয় সংকটে পড়ছে উত্পাদনকারী ও ব্যবসায়ী, অন্যদিকে ভোক্তারা। যেহেতু ফল চাষ আমাদের একটি সম্ভাবনাময় ফসলে রূপ নিচ্ছে সেহেতু এ বিষয়ে বিশেষ নজর দেয়া প্রয়োজন। উত্পাদনী সহযোগিতা, কীটনাশক বিকল্প উত্পাদন ব্যবস্থা উদ্ভাবন ও প্রয়োগ, তদারকি ও সংরক্ষণজনিত ব্যবস্থা নিয়ে নিত্য নতুন আরো চিন্তা-গবেষণা, উন্নত জাত নিয়ে গবেষণা ও প্রয়োগ, বাজারজাতকরণে সহযোগিতা, বহির্দেশে বাজার সম্প্রসারণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এখন সময়ের প্রয়োজন। ফল বিষয়ে সম্ভবত আলাদা সংস্থা বা প্রতিষ্ঠান নেই। তাই ফল বোর্ড স্থাপন করা দরকার। এ ব্যাপারে যথাযথ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। কঙ্কন সরকার, সুন্দরগঞ্জ, গাইবান্ধা