সরিষাবাড়ী আর,ডি,এম, পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় একটি ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। বিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন টাঙ্গাইল সন্তোষের মহারাণী রাণী দিনমনি চৌধুরাণী। বিদ্যালয়টি ১৯০০ সালে মাইনর, ১৯২০ মাধ্যমিক হিসাবে কলিকাতা, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক স্বীকৃতিপ্রাপ্ত হয়। বিদ্যালয়ে বর্তমানে শিক্ষক/কর্মচারীর সংখ্যা ২১ জন এবং শিক্ষার্থী সংখ্যা ৮০৩ জন। বিদ্যালয়ে অনুক"ল পরিবেশে বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা শাখার শিক্ষাক্রম চালু আছে। বিদ্যালয়টি পাইলট সড়ীম প্রকল্পভুক্ত। উল্লেখ্য এস,এস,সি ও প্রাইমারী বৃত্তির পরীক্ষা মূলকেন্দ্র হিসাবে ১৯৭০ সন হতে বিদ্যালয়টি ব্যবহূত হয়ে আসছে। ১৯৯৫ সন থেকে বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে এস,এস,সি প্রোগ্রামের টিউটোরিয়াল কেন্দ্র ও পরীক্ষার কেন্দ্র হিসাবে চালু আছে। ২০১০ সন হতে জেএসসি ও প্রাইমারী সমাপনী পরীক্ষার কেন্দ্র হিসাবে চালু আছে। বিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ও একাডেমিক শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ০২টি "্বিতল পাকা ভবন ও দুইটি ভিটি পাকা টিনের ঘর রয়েছে। উক্ত ভবন সমূহে আধুনিক পাঠদান উপযোগী ২০ টি ক্লাসরুম, একটি শিক্ষক মিলনায়তন, দুই কক্ষ বিশিষ্ট বিজ্ঞানাগার, একটি লাইব্রেরী, একটি কম্পিউটার ল্যাব, একটি স্কাউট রুম, প্রধান শিক্ষকের কক্ষ ও অফিস কক্ষ রয়েছে। বিগত তিন বত্সরের ফলাফল জেএসসি ও এসএসসি পরীক্ষায় ভাল ফলাফল করেছে।
আর,এন,সি উচ্চ বিদ্যালয়ে ক্লাস হয় খোলা আকাশের নীচে
জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার আর,এন,সি উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের শ্রেণীকক্ষের অভাবে খোলা আকাশের নিচে মাঠে এবং জীবনের ঝুঁকি নিয়ে স্কুল ভবনের ছাদে বসে ক্লাস করতে হচ্ছে প্রতিদিন। একতলা ভবনটাকে তিনতলায় উন্নীত করাসহ স্থানীয় সংসদ সদস্যর নানা নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন হয়নি। ১৯৯৩ সালে বিদ্যালয়টি বোর্ড স্বীকৃতি এবং ১৯৯৪ সালে এমপিওভুক্ত হয়। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই বিদ্যালয়টি চরাঞ্চলের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর সন্তানদের মাধ্যমিক শিক্ষার একমাত্র বিদ্যাপীঠ হিসেবে পরিচিত। বর্তমানে বিদ্যালয়ে ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা ছয় শতাধিক।
