++ এক ঘরোয়া সমাবেশে এক নেতা দীর্ঘক্ষণ বক্তৃতা করলেন। একদিকে নেতা তুমুল উত্সাহে দীর্ঘক্ষণ বক্তৃতা করে যাচ্ছেন আর অন্যদিকে শ্রোতারা তার একঘেয়ে বক্তৃতা শুনতে শুনতে ক্লান্ত। সমাবেশে উপস্থিত প্রতিটি মানুষের কাছে বিষয়টি যখন বিরক্তির চরম পর্যায়ে পৌঁছে গেছে তখন বিষয়টি নেতার খেয়ালে এলো। তিনি তড়িঘড়ি করে বক্তৃতাটা শেষ করে বললেন ‘দুঃখিত, আসলে আমার হাতে ঘড়ি নেই তো। তাই সময়টা লক্ষ্য করতে পারিনি।’
পেছন থেকে এক বিরক্ত শ্রোতা জবাব দিলেন, ‘ঘড়ি নেই তো কী হয়েছে? দেয়ালে ঝুলানো ক্যালেন্ডারটা তো ছিল।’
++ সান্তা আর বান্তা দুই বন্ধু মিলে একটি খনি আহরণের প্রতিষ্ঠানে চাকরির ইন্টারভিউ দিতে গেছে। সেখানে প্রথমেই ডাক পড়ল সান্তার—
চাকরিদাতা :সান্তা, তুমি কি আগে কখনও মাটির নিচের কোনো খনিতে কাজ করেছ?
সান্তা :হ্যাঁ করেছি।
চাকরিদাতা :তুমি মাটির নিচে কতটুকু গভীরে কাজ করেছ?
সান্তা :৮ থেকে ১০ ফুট।
চাকরিদাতা :চালাকি করার জায়গা পাও না! এত কম গভীরতায় কোনো খনি থাকে না কি? মিথ্যা বলার জন্য তুমি এই চাকরি পাবে না।
এই কথা শুনে হতাশ হয়ে বেরিয়ে এলো সান্তা। এবার বান্তার পালা। তবে বান্তাও যেন একই ভুল না করে সেজন্য তাকে আগে থেকেই সবকিছু জানিয়ে দিল সান্তা। এবার বান্তাকেও একই ধরনের প্রশ্ন দিয়ে শুরু করলেন চাকরিদাতা—
চাকরিদাতা :বান্তা, তুমি কি আগে কখনো মাটির নিচের কোনো খনিতে কাজ করেছ?
বান্তা :অবশ্যই করেছি।
চাকরিদাতা :তুমি মাটির নিচে কতটুকু গভীরে কাজ করেছ?
বান্তা :তা প্রায় ২০০০০ ফুট তো হবেই।
চাকরিদাতা :(একটু সন্দেহ নিয়ে) এত গভীর খনি। তা মাটির নিচের এত গভীরতায় কী ধরনের আলো নিয়ে তুমি কাজ করতে?
বান্তা :আমার তো কোনো আলো লাগতো না। কারণ আমি ডে শিফটে কাজ করতাম!
