ক্যাম্পা স তা র কা

সংস্কৃতি আমাকে বাঁচিয়ে রাখে

আপডেট : ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৩, ২০:২৩
আশিয়াক ইশতিয়াক। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের মাস্টার্সের ছাত্র। ক্যাম্পাসে তিনি নাট্য ও আবৃত্তি কর্মী হিসাবে ভালই পরিচিত। সম্প্রতি তিনি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে একজন ভাল সংগঠক হিসেবেও পরিচিতে পেতে শুরু করেছেন। নাট্য সংগঠন ‘অ্যাসোসিয়েশন ফর কালচার অ্যান্ড এডুকেশন’ সংগঠনের সদস্য হলেও নানা দিবস উপলক্ষে ক্যাম্পাসে আয়োজিত অনুষ্ঠানে কবিতা আবৃত্তি করে শ্রোতাদের মুগ্ধ করে রাখেন। কবিতা লেখা ও আবৃত্তির প্রতি তার ঝোঁক ছিল ছোট বেলা থেকেই। ৮ম শ্রেণিতে পড়া অবস্থায় তার লেখা কবিতা ছোট কাগজে প্রকাশিত হতো। মা স্কুলের শিক্ষক ও একজন সংস্কৃতি কর্মী। খালা কবিতা আবৃত্তি করতেন, তা দেখে কবিতা আবৃত্তির প্রতি তার আগ্রহ তৈরি হয়। ক্যাম্পাসে কবিতা আবৃত্তির ইচ্ছা ছিল প্রবল। আর তাই বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম বর্ষে নবীনবরণ অনুষ্ঠানে কবিতা আবৃত্তি করে সবার নজর কাড়েন আশিক। বিভাগের বড় ভাইদের হাত ধরে নাট্য সংগঠন ‘এস’ এ আগমন। তখন থেকে বাড়তে থাকে তার সংস্কৃতির বলয়। তিনি এ পর্যন্ত ১৭টি মঞ্চ ও পথনাটকে অংশগ্রহণ করেছেন। যা ক্যাম্পাসে ও নানা জায়গায় অর্ধ শতাধিকবার প্রদর্শিত হয়েছে। একাধিক পথনাটকেও নির্দেশনা দিয়েছেন। সম্প্রতি তারই নির্দেশনায় উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের ‘দি মার্চেন্ট অব ভেনিস’ নাটকটি মঞ্চায়নের প্রস্তুতি চলছে। পড়াশোনার পাশাপাশি নিজেকে সক্রিয়ভাবে নাট্য সংগঠনে জড়িয়েছেন কেন জিজ্ঞেস করলে বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি আশিক জানান, ভবন কেন্দ্রীক পড়াশোনায় সীমাবদ্ধ না রেখে অন্যান্য কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকা উচিত। আর সংস্কৃতি হল আত্মমুক্তির জায়গা; যা আমাকে বাঁচিয়ে রাখে। তাছাড়া সংস্কৃতি মানুষের মনুষত্ব, চেতনা ও বিবেকবোধকে জাগ্রত করে তোলে।