চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে সোমবার মধ্যরাতে দুইটি জাহাজের মধ্যে প্রচণ্ড সংঘর্ষ হয়েছে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত সিমেন্ট ক্লিংকারবাহী পানামার পতাকাবাহী জাহাজ ‘এমভি ফরচুনা ক্লাউড’ অচল হয়ে গেছে। ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় জাহাজটি বর্তমানে বন্দরের বহির্নোঙরে অবস্থান করছে।
সংঘর্ষের কারণে জাহাজটির ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে যায়। বিকল হয়ে যায় জেনারেটর। ফলে পাম্প চালিয়ে পানি অপসারণ অসম্ভব হয়ে পড়ায় জাহাজের পেছনের অংশ সমুদ্রের তলিয়ে যেতে থাকে। ভোরে বাংলাদেশ নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড, চট্টগ্রাম বন্দরের উদ্ধারকারী টাস্কফোর্সের কয়েকটি দল পাম্প মেশিন, প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদি ও টাগবোট নিয়ে ফরচুনা ক্লাউডে পৌঁছে জাহাজটি ভাসিয়ে রাখার কাজ শুরু করে। চট্টগ্রাম বন্দরের ডেপুটি কনজারভেটর ক্যাপ্টেন নাজমুল আলম ইত্তেফাককে জানান, জাহাজটিকে মেরামত ও ভাসিয়ে রাখার কাজ চলছে। ফরচুনা শংকামুক্ত। তবে এর ইঞ্জিন মেরামত ও পাওয়ার সিস্টেম চালু করতে সময় লাগবে। চট্টগ্রাম বন্দরের বেতার নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে ইত্তেফাককে জানানো হয়, সোমবার এমভি ফরচুনা ৩৩ হাজার টন সিমেন্ট ক্লিংকার নিয়ে বন্দরের বহির্নোঙরে আসে। সেখানে দিক বদল করার সময় আগে থেকেই অবস্থান নিয়ে থাকা বাংলাদেশের পতাকাবাহী জাহাজ এমভি আব্দুল্লাহর সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এ ঘটনায় এমভি আব্দুল্লাহর সামনের অংশ ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মালিক প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন মোস্তফা ইত্তেফাককে জানান, এমভি আব্দুল্লাহর সামনের অংশ দুমড়ে-মুষড়ে যায়। তবে জাহাজটিতে পানি ঢুকছে না। দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানের জন্য চট্টগ্রাম বন্দর কর্ত্তৃপক্ষ দুই সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।
