ড. ইউনূসের আয়করে অনিয়ম প্রমাণ হলে শাস্তি পেতে হবে

আপডেট : ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৩, ২৩:০৪
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. গোলাম হোসেন বলেছেন, ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে কর ফাঁকি নয়, কর সংক্রান্ত অনিয়মের অভিযোগ উত্থাপিত হয়েছে। এ অনিয়ম প্রমাণিত হলে প্রচলিত আইনে শাস্তি পেতে হবে। তিনি বলেন, ড. মুহাম্মদ ইউনূস একজন পাবলিক সার্ভেন্ট। সে ক্ষেত্রে বিদেশ থেকে কোন উপহার কিংবা টাকা আনতে হলে পূর্বানুমতির প্রয়োজন হয়। পাবলিক সার্ভেন্ট হিসেবে ৫০০ টাকার ওপরে টাকা গেলে পূর্বানুমতি কিংবা পরে অনুমতি নিতে হয়। যদি অনুমতি নিয়ে না থাকেন তবে বুঝতে হবে অনিয়ম করেছেন। তিনি বিদেশ থেকে ৫০ কোটি টাকা আনলে তাকে অবশ্যই ১৩ কোটি টাকার মতো আয়কর দিতে হবে। এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, সরকার তাকে গ্রামীণ ব্যাংক থেকে দায়িত্ব ছাড়তে বললেও তিনি হাইকোর্টে যান। হাইকোর্ট তাকে ’৯৯ সাল থেকে পদে থাকা অবৈধ হিসেবে ঘোষণা করলে তিনি পদত্যাগ করেন। তিনি বলেন, হাইকোর্ট তার রায়ে ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে পাবলিক সার্ভেন্ট হিসেবে উল্লেখ করেছেন। এক প্রশ্নের জবাবে মো. গোলাম হোসেন বলেন, অনিয়মের বিষয়টি অনেক দিন পরে উত্থাপন করা হয়নি। বরং হাইকোর্টের রায়ের পর তা খোঁজ করা হয়। গতকাল মঙ্গলবার চট্টগ্রামের লালখান বাজার এলাকায় চট্টগ্রাম বন্ড কমিশনারেটের নতুন অফিসের স্থানান্তর উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এনবিআর চেয়ারম্যান বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ট্রেডবডির নেতৃবৃন্দ ছাড়াও এনবিআর’র ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন এনবিআর সদস্য নাসির উদ্দিন, ফিরোজ শাহ আলম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম বন্ড কমিশনারেট আবদুল মান্নান শিকদার।