এই নববধূর ভবিষ্যত্ কি হবে? ডোমার হাসপাতাল থেকে কেউ নিচ্ছে না তাকে। হাসপাতালে অসুস্থতার চিকিত্সা শেষে বাড়িতে ফিরতে পারছেন না তিনি (২২)। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ছেড়ে দিলেও স্বামী অথবা বাবার বাড়ির লোকজন গ্রহণ করছেন না তাকে। দুই পরিবারের এমন অসম্মতিতে ওই নববধূ নীলফামারীর ডোমার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মহিলা ওয়ার্ডের দুই নম্বর বেডে আছেন।
এলাকাবাসী ও অন্যান্য সূত্রে জানা যায়, ৯ আগস্ট ডোমার উপজেলার সোনারায় ইউনিয়নের জামিরবাড়ি মাঝাপাড়া গ্রামের মেয়েটির সাথে একই উপজেলার বোড়াগাড়ী ইউনিয়নের নয়ানী বাঘডোকরা গ্রামের অতুল চন্দ্র রায়ের ছেলে দক্ষিণ কোরিয়া প্রবাসী বিপুল চন্দ্র রায়ের (২৫) বিয়ে হয়। বিয়ের ১৯ দিনের মাথায় ২৯ আগস্ট নববধূ শ্বশুর বাড়িতে অসুস্থ হলে ৩০ আগস্ট ভর্তি করা হয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে।
তার স্বামী বাড়ির লোকজনের অভিযোগ, বিয়ের আগেই তিনি গর্ভবতী হন। বিয়ের ১৯ দিনের মাথায় স্বামীর বাড়িতে তার গর্ভপাত ঘটে। সাড়ে পাঁচ মাসের সন্তান প্রসব করার সময় সে অসুস্থ হয়। একারণে তাকে গ্রহণ করছে না কোন পক্ষ।
অপরদিকে বাবার পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, অসুস্থতার সুযোগ নিয়ে তার নামে মিথ্যা অপবাদ দিচ্ছে স্বামীসহ তার শ্বশুর বাড়ির লোকজন। একারণে তারাও স্বাস্থ্য কেন্দ্র থেকে বাড়িতে তুলছেন না মেয়েকে।
নববধূ বলেন, আমার কয়েক মাস মাসিক বন্ধ ছিল। ওষুধ খেলে রক্তক্ষরণ শুরু হয়। অতিরিক্ত রক্ষক্তরণে অসুস্থ হয়ে পড়লে স্বামী তাকে হাসপাতালে নিয়ে যান। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিত্সক ডা. ফারজানা আফরিনও মেয়েটির অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কথা জানান।
